<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>BBC24 News</title>
	<link>https://www.bbc-24news.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 18:21:40 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>তুর্কি, সৌদি ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111602</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111602#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111602</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260808_002042.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন চরম আকার ধারণ করেছে, ঠিক তখনই একটি ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। শুক্রবার সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি নামে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260808_002042.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন চরম আকার ধারণ করেছে, ঠিক তখনই একটি ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। শুক্রবার সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি নামে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>তিন অংশীদার দেশের এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেকোনও ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এই চুক্তির লক্ষ্য। চুক্তির শর্তানুযায়ী, তিন দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করা হলে তা সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।</p>
<p>পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনটি দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্বের স্থায়ী বন্ধন ও ইসলামি সংহতির পাশাপাশি পারস্পরিক কৌশলগত স্বার্থ এবং সামরিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই চুক্তি যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, অঞ্চলজুড়ে এবং এর বাইরে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রচারের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তিন দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।</p>
<p>শক্তিশালী সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সৌদি আরবে পৌঁছান এবং মক্কায় ওমরাহ পালন করার পরদিনই এই চুক্তির ঘোষণা এলো। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশে শুক্রবার সৌদি আরব সফর করেন।</p>
<p>এখন কেন এই চুক্তি?</p>
<p>আঙ্কারা, রিয়াদ ও ইসলামাবাদের মধ্যকার এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি রাতারাতি হয়নি; বরং এটি বেশ কিছু দিন ধরে প্রক্রিয়াধীন ছিল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং পরবর্তীতে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা শুরুর পরপরই তিন দেশের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হলে চুক্তির আলোচনা আরও গতি পায়।</p>
<p>যদিও তুরস্ক ও পাকিস্তান এখন পর্যন্ত এই অঞ্চলের উত্তেজনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কিন্তু সৌদি আরব, যেখানে মার্কিন সামরিক সম্পদ ও অবকাঠামো রয়েছে, তারা ইরান এবং ইয়েমেনের হুথিদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ এবং জর্ডানেও হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।</p>
<p>তবে তিন দেশই ইরানের যুদ্ধ এবং ওই অঞ্চলে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও হামলার বিষয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইসরায়েল বর্তমানে লেবাননের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকা দখল করে রেখেছে। তাদের দাবি, তারা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ইরাকভিত্তিক ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সৌদি আরবে ড্রোন হামলার অভিযোগ রয়েছে এবং তারা নিজেরাও মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে।</p>
<p>তুরস্কের আঙ্কারা থেকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিক রসুল সরদার জানান, সেখানকার কর্মকর্তাদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনাই এসব দেশকে এক ছাতার নিচে আসতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ৭ অক্টোবরের পরের ঘটনা প্রবাহ এবং ইসরায়েলি আগ্রাসন ও সীমানা সম্প্রসারণের নীতি মধ্যপ্রাচ্যকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরমুজ প্রণালি সংকট এবং ইরানে চলমান হামলা ও তার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একসঙ্গে এসে এই তিনটি বৃহৎ দেশকে একটি বাধ্যবাধকতামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছে।</p>
<p>চলতি বছরের ১৯ মার্চ রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক ইসলামি সম্মেলনে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন এবং যৌথ নিরাপত্তা চুক্তির রূপরেখা কেমন হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>এই বৈঠকের আগে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি হামলার পরই রিয়াদ ও ইসলামাবাদ সেই চুক্তি করেছিল।</p>
<p>জার্মান মার্শাল ফান্ড অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটসের দক্ষিণ ও বিস্তৃত ইউরোপ কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং তুরস্কের আঞ্চলিক পরিচালক ওজগার উনলুহিসারসিকলি জানান, বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর থেকে আস্থা উঠে যাওয়ার পর এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি তৈরি হয়েছে, যা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।</p>
<p>তিনি বলেন, তিনটি দেশই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে রাষ্ট্রকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। মতপার্থক্য সত্ত্বেও তারা মনে করে, শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানই শৃঙ্খলার মূল ভিত্তি। অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভাজন, গৃহযুদ্ধ এবং অ-রাষ্ট্রীয় শক্তিগুলোর ক্ষমতায়নকে তারা দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার উৎস হিসেবে দেখে।</p>
<p>কী রয়েছে এই চুক্তিতে?</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিটি আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের মধ্যে আগে থেকেই বহাল থাকা একটি চুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এটি প্রতিটি দেশের সামরিক ও আর্থিক শক্তিকে কাজে লাগাবে। সামরিক দিক থেকে তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনী, সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ, আর পাকিস্তান একমাত্র মুসলিম পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।</p>
<p>উনলুহিসারসিকলি বলেন, তিন অংশীদার পরস্পরের পরিপূরক শক্তি নিয়ে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা-শিল্প সক্ষমতা, সৌদির আর্থিক সামর্থ্য ও প্রভাব এবং পাকিস্তানের সামরিক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত প্রতিরোধ ক্ষমতা।</p>
<p>‘জেন জি রাষ্ট্রবিরোধী নয়’, আরএসএস প্রধানের বার্তা মোদি-বিজেপিকে দেওয়ার আহ্বান দীপকের‘জেন জি রাষ্ট্রবিরোধী নয়’, আরএসএস প্রধানের বার্তা মোদি-বিজেপিকে দেওয়ার আহ্বান দীপকের<br />
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, মনে রাখতে হবে এটি তিনটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত, সামরিক ও প্রতিরক্ষা-শিল্প সমন্বয়ের একটি রূপরেখা, এটি ন্যাটোর মতো সামরিক প্রতিরক্ষা জোট নয়।</p>
<p>তুরস্কের গাজিয়ানতেপের হাসান কালিয়নকু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক মুরাত আসলান বলেন, এই চুক্তিটি সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা জানি সৌদি আরব কয়েক দশক ধরে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা পণ্য আমদানির জন্য বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এটি মোটেও সাশ্রয়ী নয় এবং তাদের নিজেদের ভূখণ্ডেই প্রতিরক্ষা খাত গড়ে তোলা প্রয়োজন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, তুরস্ক ও সৌদি আরব দুটি বিষয়ে একই চিন্তাধারা পোষণ করে: প্রথমত ইরান, যার সঙ্গে পাকিস্তানেরও সীমানা রয়েছে। সৌদিদের মনে বড় ধরনের নিরাপত্তাহীনতা রয়েছে যে ইরান তাদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। সুতরাং এই চুক্তি তাদের নিরাপত্তাকে প্রসারিত করবে।</p>
<p>দোহা থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভেদ জানান, এই চুক্তি মূলত সবচেয়ে বড় তিনটি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে যৌথ শান্তির পথে নিয়ে এসেছে। এটি যেকোনও আগ্রাসন প্রতিহত করা, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে পারস্পরিক সমঝোতা বৃদ্ধি করা এবং জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ব্যয় ও ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, এই তিন দেশ একত্রিত হয়ে যে শক্তির রূপ নিয়েছে, তা বিগত কয়েক দশকের, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের পর থেকে বিদ্যমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে এক সম্পূর্ণ নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে।</p>
<p>ইরানের প্রতিক্রিয়া কী?</p>
<p>চুক্তিটি নিয়ে ইরানি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে চুক্তির সমালোচনা করেছেন ইরানি সংসদ সদস্য ইব্রাহিম রেজাই। তিনি লিখেছেন, সৌদিদের জানা উচিত তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না, ঠিক যেমনটা আমেরিকানদের ওপর বছরের পর বছর একতরফা নির্ভরতা তাদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি।</p>
<p>তিনি আরও লিখেছেন, নিজেদের নীতি সংশোধন করুন, যাতে অন্যদের কাছে নিরাপত্তার জন্য ভিক্ষা চাইতে না হয়।</p>
<p>ইসরায়েলের জন্য এই চুক্তির অর্থ কী?</p>
<p>সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় কিংবা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনও মন্তব্য করেনি।</p>
<p>বারবার সময়সীমা পেরোলেও অনড় ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে চুক্তি ‘শিগগিরই’বারবার সময়সীমা পেরোলেও অনড় ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে চুক্তি ‘শিগগিরই’<br />
শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক তুর্কি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন দেশের এই চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক এবং এটি নির্দিষ্ট কোনও দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এটি এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জন্যও উন্মুক্ত।</p>
<p>তবে এ কথা স্পষ্ট যে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে তিন দেশই বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন।</p>
<p>জুলাইয়ের শুরুর দিকে ইস্তাম্বুলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে যৌথভাবে বক্তব্য রাখার সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেছিলেন, আঞ্চলিক সমর্থন ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টা সফল হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তিকে ইসরায়েলের কারণে ভেস্তে দিতে দেওয়া যাবে না।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা মার্কিন-ইরান চুক্তি ভেস্তে দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি প্রশাসনের অপচেষ্টা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছি&#8230; বর্তমান যুদ্ধবাজ ইসরায়েলি সরকারকে আমাদের ভূখণ্ডকে আবারও বারুদ ও রক্তের গন্ধে ভাসিয়ে দিতে দেওয়া যাবে না।</p>
<p>মেকেদাতু ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জবাব, ‘জনগণের জন্য অপমানও মেনে নেবো’মেকেদাতু ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জবাব, ‘জনগণের জন্য অপমানও মেনে নেবো’<br />
যুদ্ধ বন্ধ এবং আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে ১৭ জুন মার্কিন-ইরান যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা ভেস্তে দেওয়ার অভিযোগ বারবার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এনেছেন তুর্কি নেতা। এরদোয়ান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলারও কঠোর নিন্দা জানিয়ে আসছেন।</p>
<p>অন্যদিকে, পাকিস্তান গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যেখানে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সহস্রাধিক মানুষ মারা যান। তথাকথিত ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ ধারণারও তীব্র বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান।</p>
<p>তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের কারণে পাকিস্তান আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে মূলত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে আশা করছেন যেন সৌদি আরব তথাকথিত আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। কিন্তু সৌদি আরব বারবার গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুনির্দিষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না, যা বর্তমান ইসরায়েলি সরকার চরমভাবে বিরোধিতা করে আসছে।</p>
<p>২০ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উপসাগরীয় ও আরব উপদ্বীপ অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক ইয়াসমিন ফারুক লিখেছেন, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং মিসরের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক মূলত একটি কঠোর সত্য অনুধাবনের ফল। আর তা হলো, তাদের নিজস্ব অঞ্চলের নিরাপত্তা আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বনাম ইরানের মধ্যকার দ্বৈরথের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।</p>
<p>তিনি উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর আগেই এসব দেশের অনেক কর্মকর্তা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু এই যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার মতো ইরানের পাল্টা জবাব দেশগুলোকে এই পদক্ষেপে জরুরি গতি এনে দিয়েছে।</p>
<p>তবে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক ইসরায়েলি ও মার্কিন বিশ্লেষক ও কর্মকর্তা এই দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা জোটকে ইসরায়েলবিরোধী বা ইসরায়েল/আমিরাতবিরোধী সুন্নি অক্ষ হিসেবে দেখছেন।</p>
<p>চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জেরুজালেমে এক সম্মেলনে সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট দাবি করেছিলেন, তুরস্ক হলো ‘নতুন ইরান’। তিনি বলেন, আঙ্কারা মূলত সৌদি আরবকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে একটি শত্রুভাবাপন্ন সুন্নি অক্ষ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111602/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নিয়ে যা বললেন: জয়সোয়াল</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111600</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111600#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111600</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260808_000811.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকে: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যের কোনো অংশও ভারত সরকার সমর্থন করে না বলে স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি।
শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি বেসরকারি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260808_000811.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকে: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যের কোনো অংশও ভারত সরকার সমর্থন করে না বলে স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি।</p>
<p>শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল। এতে সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না। বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিষয়ে সেখানে যা বলা হয়েছে, তার কোনো কিছুই ভারত সরকার সমর্থন করে না।’</p>
<p>আগের দিনও এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সোয়াল ঠিক এ কথাই বলেছিলেন। তবে আজ তিনি ওই বক্তব্যের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন করে বলেন, ‘বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে যা কিছু বলা হয়েছে, ভারত সরকার তা অনুমোদন (এনডোর্স) করে না।’ একই কথা তিনি ইংরেজির পর হিন্দিতেও বলেছেন।</p>
<p>নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেছিলেন, বাংলাদেশ দ্রুত আরেকটা পাকিস্তান হতে চলেছে। আজকের ব্রিফিংয়ে তার সেই বক্তব্য উল্লেখ করে এক সাংবাদিক জানতে চান, ওই অভিযোগ ভারত অনুমোদন করে কি না এবং বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের কাছে কতটা উদ্বেগের। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশের যেকোনো ঘটনা বা গতিবিধির ওপর সর্বদা তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয়। ভারত তার রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়। যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতি অনুযায়ী উচিত পদক্ষেপ নেয়।’ সজীব ওয়াজেদর অভিযোগ অনুমোদন বা সমর্থন করা বা না করা নিয়ে জয়সোয়াল কোনো মন্তব্য করেননি।</p>
<p>এদিকে শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঢাকার অভিযোগ, ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ‘বিষোদ্গার’ করেছেন। এ ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি ‘অবমাননা’ বলেও উল্লেখ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p>বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে তোলার বিষয়ে ঢাকা আগ্রহী। শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও নয়াদিল্লির কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111600/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পরিবেশ বান্ধব দেশ গড়তে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111598</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111598#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111598</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260803_133446.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি আমাদের দেশটাকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে। যা নিশ্চিত করবে আমাদের আগামী দিনের বংশধরদের জন্য একটি সুস্থ দেশ, সুস্থ পরিবেশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260803_133446.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি আমাদের দেশটাকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে। যা নিশ্চিত করবে আমাদের আগামী দিনের বংশধরদের জন্য একটি সুস্থ দেশ, সুস্থ পরিবেশ।</p>
<p>সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। ৪০ বা ৩০ বছর আগের তুলনায় বর্তমান সময়ে ঢাকা শহরসহ জেলা, উপজেলা ও গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট এবং বাজার এলাকায় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানাবিধ আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।</p>
<p>ময়লা আবর্জনা সঠিক উপায়ে ধ্বংস করার প্রতি গুরত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই পায়ে হেঁটে চলে অথবা বাসে চলাচল করে। এই মানুষগুলো যখন রাস্তা পার হয়, বিভিন্ন জায়গায় যখন আবর্জনা জমে থাকে, ময়লা থাকে, এই মানুষগুলোর কিন্তু অনেক কষ্ট হয়। বিভিন্ন জায়গায় অনেক দুর্গন্ধ হয়, আবর্জনা জমে থাকে। তবে আমরা যদি সকলে মিলে একটু সচেতন হই। যত্রতত্র আমাদের ব্যবহারকৃত আবর্জনা না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি এবং নির্দিষ্ট উপায়ে যদি এটাকে পরে ধ্বংস করি, তাহলে যেমন আমাদের পরিবেশটি ভালো থাকবে ঠিক একইভাবে আমরা আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দরভাবে রাখতে পারব।</p>
<p>নিজের ঘরের পরিচ্ছন্নতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘চিন্তা করে দেখুন তো আপনার ঘরে যে ঘরটিতে আপনি থাকেন, যে বাসাটিতে আপনি থাকেন, যদি চারিদিকে এমন তৃষ্ণ ছড়িয়ে থাকতো, যদি চারিদিকে এমন আবর্জনা ছড়িয়ে থাকতো, আপনার কাছে কি ভালো লাগতো দেখতে? নিশ্চয়ই না। আমাদের কারো কাছেই ভালো লাগতো না। কবি তো সুন্দরভাবে লিখেছেন, সবুজ, শস্য শ্যামলা আমার ভুবন। তবে আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর করতে পারবো না।</p>
<p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত কয়েক মাসে যখন আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি হয়তো কোন একটি পুকুরের পাশ দিয়ে যাচ্ছি, দেখেছি পুকুরের ভিতরে বিভিন্ন রকম ময়লা স্তুুপ হয়ে পড়ে আছে। অথবা পুকুরপাড়ে বিভিন্ন ময়লা স্তুূপ হয়ে পড়ে আছে। অথচ একসময় এসব স্থানে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বসত ও গল্প করত।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা যখন যাই তখন হয়তো যারা পরিচ্ছন্ন কর্মী তারা হয়তো পরিষ্কার করে রাখছে। কিন্তু আমরা যখন বেরিয়ে আসছি তখন আর সেটি আগের মতন পরিষ্কার থাকছে না। যদি পরিষ্কার থাকতো আপনি যদি পরিষ্কার করে রেখে আসেন আপনার পরবর্তীতে যে যাবে সেও সেই পরিচ্ছন্নতার সুন্দর পরিবেশটি উপভোগ করতে পারবে।’</p>
<p>সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি আজকে থেকে প্রত্যেকে সচেতন হই আমাদের হাতের আবর্জনা বা ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট জায়গায় সুন্দরভাবে আমরা গুছিয়ে ফেলি তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনা মুক্ত করতে পারবো। সুন্দর একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।’</p>
<p>দেশ গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশটা তো আমাদের সকলের। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে আমরা বড় কিছু করতে সক্ষম হব। প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের কাছে আজকে এই সহযোগিতাটা আমি চাইছি।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111598/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা জামানত চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111596</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111596#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111596</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260801_210047.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ফরিদা ইয়াসমিন (ওয়াশিংটন) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা জামানত চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র, এই ব্যবস্থার আওতায় দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা বা পর্যটন ভিসার আবেদনের সময় ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ জমা দিতে হতে পারে৷
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে৷ ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই জামানত বি১ ও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260801_210047.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ফরিদা ইয়াসমিন (ওয়াশিংটন) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা জামানত চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র, এই ব্যবস্থার আওতায় দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা বা পর্যটন ভিসার আবেদনের সময় ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ জমা দিতে হতে পারে৷</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে৷ ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই জামানত বি১ ও বি২ ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে৷ ভিসা প্রদানের শর্ত হিসেবে জামানত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট দেশে নিযুক্ত কনস্যুলার কর্মকর্তাদের থাকবে৷</p>
<p>এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকায় অবস্থিত৷ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান৷ মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়া বন্ধ করার লক্ষ্যেই এই নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে৷</p>
<p>২০২৫ সালে চালু হওয়া পরীক্ষামূলক কর্মসূচির ‘সাফল্যের’ পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ স্থায়ী করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ৷ পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থাটি দর্শনার্থীদের ভিসার শর্ত মেনে চলা এবং অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দেশত্যাগ করতে উৎসাহিত করায় কার্যকর ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের৷</p>
<p>পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে বন্ডের পরিমাণ পাঁচ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার ছিল৷ নতুন নিয়মে সর্বনিম্ন ধাপটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে৷</p>
<p>এই ব্যবস্থার সমালোচকদের মতে, ভিসা বন্ডের এই শর্ত বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি বাধা সৃষ্টি করতে পারে৷ অভিবাসন অধিকারকর্মীরা সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া অন্যান্য পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ভিসা-সংক্রান্ত ফি বৃদ্ধি এবং আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই-বাছাইয়ের পরিধি বাড়ানো৷</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111596/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সার্জিও গর বাংলাদেশ সফরে কী বার্তা দিয়ে গেলেন?</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111593</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111593#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111593</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260801_204416.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: তিন দিনের ঢাকা সফর শেষে বাংলাদেশ ছেড়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। শেষ দিন শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠকও করেছেন মি. গর।
বৈঠক শেষে সার্জিও গর সাংবাদিকদের বলেছেন, &#8220;শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ সফরে আসবেন। সফরের সময় তারা সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করবেন এবং কোথায় বিনিয়োগের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260801_204416.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: তিন দিনের ঢাকা সফর শেষে বাংলাদেশ ছেড়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। শেষ দিন শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠকও করেছেন মি. গর।</p>
<p>বৈঠক শেষে সার্জিও গর সাংবাদিকদের বলেছেন, &#8220;শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ সফরে আসবেন। সফরের সময় তারা সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করবেন এবং কোথায় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করবেন&#8221;।</p>
<p>ওই বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, &#8220;বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রায় ৪৫ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরে আসবেন। তারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন&#8221;।</p>
<p>তিন দিনের এই সফরে মার্কিন এই কূটনীতিক কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেন শুক্রবার। তারের রহমানের সাথে শনিবারের বৈঠকে যে কারণে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে।</p>
<p>এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসেন মার্কিন এই কুটনীতিক। সফরের প্রথম দিনই তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথেও বৈঠক করেন।</p>
<p>কূটনীতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক ছাড়াও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কেমন হবে সেদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই সফরটি।</p>
<p>সাবেক রাষ্ট্রদূত সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বিবিসি বাংলাকে বলেন, &#8220;ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সরকার গঠনের পর অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রকাল ট্যারিফ বা এআরটি&#8217;র উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এই অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কি ভাবছে বা কি করছে সেটির মূল্যায়নও হয়তো তিনি করেছেন&#8221;।ওই বৈঠকে শেষে সেখান থেকে বের হয়ে গণমাধ্যমে সাথে খুব অল্প সময়ের জন্য কথা বলেন মি. গর।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এই বৈঠক শেষে এ নিয়ে নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টও দেন মি. গর। সেখানে তিনি বলেন, &#8220;অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উভয় দেশের সামনে থাকা বিস্তৃত সুযোগ-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাস্তব ও ইতিবাচক ফল অর্জন সম্ভব&#8221;।</p>
<p>বিকেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাঠানো একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &#8216;বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন বা এফডিএ-এর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। মি: গোর আশ্বাস প্রদান করেন যে বাংলাদেশে এফডিএ-র পরীক্ষাকার্য পুনরায় শুরু করার বিষয়ে তিনি সহায়তা করবেন&#8217;।</p>
<p>এর আগে গত বৃহস্পতিবার সফরের প্রথম দিনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বিশেষ দূত যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন, তারপর বাংলাদেশের জন্য জারি করা ভ্রমণ সতর্কতা বা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি হালনাগাদেরও ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, &#8216;যুক্তরাষ্ট্র মনে করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। ইঙ্গিত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল অ্যাডভাইসারির ইতিবাচক সংশোধন করেছে ।এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত&#8217;।</p>
<p>সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির মনে করেন, এই ভ্রমণ সতর্কতা কমানোও একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। তিনি বলছিলেন, &#8220;হয়তো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশ সম্পর্কে আস্থা পেয়েছে সে কারণে ভ্রমণ সতর্কতা কমিয়েছে। তবে এটি ধরে রাখতে হলে আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামো আরো স্থিতিশীল হতে হবে&#8221;।যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ কী শুধুই বিনিয়োগ?<br />
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে যে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় সেখানে বলা হয় এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন কর্পোরেশন বা ডিএফসি-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p>বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তারেক রহমান ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আহ্বান জানান বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।</p>
<p>মি. স্বাধীন জানান, একই সাথে তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাতের বিনিয়োগ নিয়েও বাংলাদেশের বিশেষ আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এই খাতে বাংলাদেশে আগ্রহের জবাবে বিশেষ দূত মি. গর বলেছেন, এই খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এ বিষয়ে তিনি উদ্যোগ নেবেন বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।</p>
<p>সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছিলেন, &#8220;বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে যথেষ্ট বিনিয়োগ পায় তাহলে যে শঙ্কার জায়গাটি রয়েছে সেটি আর থাকবে না&#8221;।</p>
<p>এক্ষেত্রে টেকনোলজি বা আইটি সেক্টর, ব্লু ইকনোমির মতো খাতগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও মনে করেন মি. কবির।</p>
<p>তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূতের এই সফরে শুধু শুধু বিনিয়োগই মূল জায়গায় নয় বলে মনে করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত মি. কবির।</p>
<p>তিনি বলছিলেন, &#8220;হয়তো এখানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বার্থের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার গঠনের পর অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রকাল ট্যারিফ বা এআরটি একটা উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই এআরটি নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কী ভাবছে সেই মূল্যায়নও হয়তো তিনি করেছেন&#8221;।</p>
<p>&#8220;সেক্ষেত্রে তার দেশের যদি কোন পরামর্শ বা সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় থাকে তাহলে সেটাও তিনি নিশ্চয়ই শেয়ার করেছেন&#8221;, যোগ করেন তিনি।আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু<br />
তিন দিনের ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান।</p>
<p>সে সময় তি‌নি বলেন, &#8220;যুক্তরাষ্ট্র এই শিবিরকে সহায়তা দিয়ে আসছে এবং বিশ্বজুড়ে আমাদের অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন তাদের সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করেন&#8221;।</p>
<p>পরদিন শনিবার যখন তারেক রহমানের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানেও আলোচনায় এসেছে এই বিষয়টি।</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/08/20260801_204436.jpg" alt="---" />প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, &#8216;শনিবারের বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ দূত কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাঁর আগের দিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় প্রদান এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান&#8221;।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, &#8220;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে (সার্জিও গরকে) বলেছেন রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশী অংশ যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে আসে। এ জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন&#8221;।</p>
<p>বিবৃতিতে বলা হয়, &#8216;এর জবাবে বিশেষ দূত মি. গর বাংলাদেশকে জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধানে আসিয়ান ও প্রতিবেশী দেশসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেবেন তিনি&#8217;।</p>
<p>শনিবার বিকেলে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় অবস্থানকালে বিশেষ দূত সার্জিও গর বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে প্রভাবিত করা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। একই সাথে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরও পরিদর্শন করেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111593/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>স্পেনে বৈধতার ঘোষণা: সেউতায় ঢুকেছে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী, নিহত বেড়ে ৩৪</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111590</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111590#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111590</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260731_190826.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ইইউ প্রতিনিধি: স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড সেউতায় গত কয়েক দিনে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। এই সংখ্যা সেউতার মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। একই সময়ে সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
সেউতার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান জেসুস ভিভাস শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভিভাস বলেন, গত কয়েক দিনের ঘটনায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260731_190826.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, ইইউ প্রতিনিধি: স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড সেউতায় গত কয়েক দিনে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। এই সংখ্যা সেউতার মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। একই সময়ে সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>সেউতার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান জেসুস ভিভাস শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>ভিভাস বলেন, গত কয়েক দিনের ঘটনায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছেন। তিনি জানান, সীমান্ত পার হওয়ার সময় প্রাণহানির ঘটনাও বেড়েছে। এখন পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p>এর আগে সেউতায় কতজন অভিবাসী প্রবেশ করেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি। ভিভাসের বক্তব্যের পর প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য মোট সংখ্যার একটি সরকারি হিসাব সামনে এলো।</p>
<p>উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত সেউতা স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত হওয়ায় এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন সংকটের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111590/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের সঙ্গে  ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে: ট্রাম্পের বিশেষ দূত</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111588</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111588#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111588</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260730_220447.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায়ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে
ঢাকায় এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260730_220447.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায়ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে</p>
<p>ঢাকায় এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</p>
<p>তিন দিনের সফরে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গর। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।</p>
<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যা ছয়টার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে বসেন। পরে খলিলুর রহমানের সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিট একান্তে কথা বলেন সার্জিও গর।</p>
<p>মার্কিন ধনকুবের সার্জিও গর ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেই সঙ্গে তাঁকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব দেন ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে নয়াদিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসেছেন তিনি।</p>
<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে সার্জিও গর লিখেছেন, ‘আমার প্রথম বাংলাদেশ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে আমি আনন্দিত। অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে।’</p>
<p>বিএনপি সরকার গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর সার্জিও গর হচ্ছেন ওয়াশিংটন থেকে ঢাকা সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এর আগে মার্চে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এবং মে মাসে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশ সফর করেন।</p>
<p>সার্জিও গর দুপুরে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমার বন্ধু, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। তাঁর এ সফর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।’</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260730_220437.jpg" alt="---" />কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, সার্জিও গরের চলমান সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বর্তমান অগ্রাধিকার, আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থান এবং ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, একই মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মস্কো সফর এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের মূল্যায়নও এ সফরে প্রতিফলিত হতে পারে। প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তাও তিনি বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরতে পারেন।</p>
<p>কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি সরেজমিন দেখবেন মার্কিন দূত সার্জিও গর। সফরের শেষ দিনে শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111588/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ঢাকায় এসেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111585</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111585#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111585</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260730_171109.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সার্জিও গর ঢাকায় পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এক বিবৃতিতে বলেন, আমার বন্ধু, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260730_171109.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সার্জিও গর ঢাকায় পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।</p>
<p>মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এক বিবৃতিতে বলেন, আমার বন্ধু, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। তার এই সফর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111585/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মানব পাচার বিরোধী ঐক্যবদ্ধ: বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহবান : জাতিসংঘের</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111583</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111583#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111583</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260729_123847.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: বিশ্বজুড়ে মানুষকে ভালো চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা অপরাধী চক্রের ফাঁদে আটকা পড়ছে এবং অন্যদের সাথে প্রতারণা করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বে মানব পাচার বিরোধী এই দিবসে, আমরা মানব পাচারের দ্রুত বর্ধনশীল একটি রূপ—অর্থাৎ জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণায় (scamming) বাধ্য করার বিষয়টি—সবার সামনে তুলে ধরছি।
সারা বিশ্বে এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে লক্ষ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260729_123847.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: বিশ্বজুড়ে মানুষকে ভালো চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা অপরাধী চক্রের ফাঁদে আটকা পড়ছে এবং অন্যদের সাথে প্রতারণা করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বে মানব পাচার বিরোধী এই দিবসে, আমরা মানব পাচারের দ্রুত বর্ধনশীল একটি রূপ—অর্থাৎ জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণায় (scamming) বাধ্য করার বিষয়টি—সবার সামনে তুলে ধরছি।<br />
সারা বিশ্বে এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ শক্তিশালী সব নতুন প্রযুক্তি প্রতারকদের তাদের কার্যক্রম উদ্বেগজনক দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করছে।<br />
ক্রমবর্ধমান এই হুমকির মোকাবিলায় প্রয়োজন একটি ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক পদক্ষেপ—যেখানে গোয়েন্দা সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী বাহিনী এবং আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো একত্রে কাজ করবে অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে এবং অপরাধীদের অর্থের জোগান বন্ধ করতে।<br />
২০২৪ সালে সদস্য রাষ্ট্রগুলো ‘সাইবার অপরাধ বিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন’ গ্রহণ করেছে, যা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী চুক্তি। জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ বাতা হলো, বিশ্বের সকল সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা এই কনভেনশনটি অনুমোদন করে, অপরাধীদের সহায়তাকারী দুর্নীতি প্রতিরোধ করে এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যেন তাদের প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেয় তা নিশ্চিত করে। একই সাথে, প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রগুলো থেকে বেঁচে আসা ভুক্তভোগীদের ঘুরে দাঁড়াতে এবং তাদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলতে আমাদের সহায়তা প্রদান করতে হবে।<br />
মানব পাচারের যেকোনো রূপই মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এই শোষণ ও বঞ্চনার অবসান ঘটাতে পারি—চিরতরে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111583/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান যুদ্ধে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা জানাল পেন্টাগন</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111581</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111581#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111581</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260727_121314.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের হতাহতের সংখ্যা সংশোধন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। হালনাগাদ হিসাবে আরও ১৪০ জনের বেশি আহত সেনার তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গত সপ্তাহে নিহত চার মার্কিন সেনার নামও আবার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
পেন্টাগনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে এখন পর্যন্ত ১৮ জন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260727_121314.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের হতাহতের সংখ্যা সংশোধন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। হালনাগাদ হিসাবে আরও ১৪০ জনের বেশি আহত সেনার তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গত সপ্তাহে নিহত চার মার্কিন সেনার নামও আবার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>পেন্টাগনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৬২৪ জন আহত হয়েছেন। এতে মোট হতাহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জন।</p>
<p>এর আগে পেন্টাগনের ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেম (ডিসিএএস)-এ আহত সেনার সংখ্যা ৪৮২ দেখানো হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে ইরানের নতুন হামলার পরও ওয়েবসাইটে হতাহতের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।</p>
<p>এ ঘটনায় মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির ১২ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে ব্যাখ্যা চান।</p>
<p>পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সচিব জোয়েল ভালদেজ বলেন, ডিসিএএস ওয়েবসাইটে সাময়িক কারিগরি ত্রুটির কারণে এই অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল।</p>
<p>এদিকে ডিসিএএসে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে জর্ডানে ইরানের হামলায় নিহত তিন মার্কিন সেনা এবং উত্তর ইরাকে ইরানি ড্রোন হামলায় নিহত আরও এক সেনার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এই বিভাগে কোন সময়ের সংঘাতের তথ্য যুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে পেন্টাগন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260727_121255.jpg" alt="---" />অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দাবি করেছে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ১ মে থেকে যুদ্ধ পরিচালনার ৬০ দিনের আইনি সময়সীমা নতুন করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-উভয় দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করেছেন।</p>
<p>তাদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতির সময়কে ভিত্তি করে নতুন সময়সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা এড়ানোর চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111581/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
