<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>BBC24 News</title>
	<link>https://www.bbc-24news.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Fri, 29 May 2026 18:48:13 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন চুক্তি হচ্ছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়তে পারে</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111319</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111319#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111319</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260530_004652.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ফরিদা ইয়াসমিন, (ওয়াশিংটন) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে  যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে। নতুন চুক্তি হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়বে। নির্ভরযোগ্য সূত্র রয়টার্সকে এমন তথ্য জানিয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই চুক্তি অনুমোদন করেননি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260530_004652.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, ফরিদা ইয়াসমিন, (ওয়াশিংটন) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে  যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে। নতুন চুক্তি হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়বে। নির্ভরযোগ্য সূত্র রয়টার্সকে এমন তথ্য জানিয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই চুক্তি অনুমোদন করেননি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।</p>
<p>বিষয়টি সম্পর্কে জানেন, এমন চারটি সূত্রের মতে, নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়বে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে আবার স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। এ সময়ে দুই দেশের আলোচকেরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টার সুযোগ পাবেন।</p>
<p>ওয়াশিংটন ও তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই চুক্তি মেনে নিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এটিই হবে শান্তির পথে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর চলতি সপ্তাহেও দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ উত্তেজনার মধ্যেই সম্ভাব্য চুক্তির খবর সামনে এল।</p>
<p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে সই বা অনুমোদন করেননি। তবে ইরান এ বিষয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের আলোচক দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, চুক্তির খসড়া এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।</p>
<p>মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা এখনো চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। তবে আমরা খুব কাছাকাছি আছি। এ বিষয়ে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখব।’</p>
<p>জে ডি ভ্যান্স আরও বলেন, ‘আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারছি না, চুক্তিটি হবেই। তবে এই মুহূর্তে পরিস্থিতি দেখে আমরা বেশ আশাবাদী।’</p>
<p>এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কয়েকবার দাবি করেছিল, যুদ্ধ থামানোর চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। তবে প্রতিবারই ইরান সেই দাবি অস্বীকার করেছে বা তেমন গুরুত্ব দেয়নি।</p>
<p>এই চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। বিনিময়ে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নেবে।</p>
<p>পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকেও কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে দেশটি।<br />
বিশ্বের মোট জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। এটি আবার খুলে যাওয়ার সম্ভাবনার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে গেছে।</p>
<p>এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছিল, তাদের বাহিনী ইরানের পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এ ছাড়া তারা ইরানের বন্দর আব্বাস শহরের একটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে। এরপরই কুয়েতের দিকে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই ধ্বংস করে কুয়েতি বাহিনী। কুয়েতে বড় এক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।</p>
<p>ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, তারা বুশেহরের কাছে একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত করেছে। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা ইরানের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।<br />
এসব ছোটখাটো হামলার ঘটনা প্রমাণ করছে, তিন মাসের এই যুদ্ধ থামানো কতটা কঠিন। ভঙ্গুর এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তিতে রূপ দেওয়ার আলোচনা এখনো বেশ নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।</p>
<p>তাসনিম বার্তা সংস্থার খবর অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনীর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসে হামলার জবাবে ওই মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আবার এমন করা হলে আরও ‘কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে।</p>
<p>এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানিয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার শুক্রবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে দেখা করার কথা। তবে এই সফরের সুনির্দিষ্ট গুরুত্ব এখনো পরিষ্কার নয়।</p>
<p>ওমানকে সতর্কতা<br />
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের ওপর নতুন করে কোনো শুল্ক আরোপের বিষয়ে ওমান যেন ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে, সেই বিষয়ে ওমানকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও বুধবার ট্রাম্প ওমানে বোমা হামলার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন।</p>
<p>মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ওমানের রাষ্ট্রদূত তাঁকে নিশ্চিত করেছেন, এ ধরনের শুল্ক বসানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।</p>
<p>ওমান জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবাধে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ইরানের সঙ্গে তাদের সাধারণ আলোচনা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের এই হুমকির পর ইরান ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111319/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111317</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111317#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111317</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260527_015116.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির বার্তাকে সামনে রেখে তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা ও প্রার্থনার কথা জানান।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, &#8216;ত্যাগের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260527_015116.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির বার্তাকে সামনে রেখে তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।</p>
<p>মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা ও প্রার্থনার কথা জানান।</p>
<p>পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, &#8216;ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি পবিত্র ঈদুল আজহার এই শুভক্ষণে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে জানাই ঈদ মোবারক। বিশ্ববাসীকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।&#8217;</p>
<p>ঈদুল আজহার তাৎপর্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি লেখেন, &#8216;ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমান পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য প্রস্তুত। ইসলামের মহিমান্বিত এই উৎসব শুধু একটি আনন্দ-উৎসবই নয়, বরং তা স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন এবং ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে।&#8217;</p>
<p>হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, &#8216;মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই দিবসকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে মহিমান্বিত ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।&#8217;</p>
<p>পোস্টে তিনি প্রার্থনার কথা উল্লেখ করে লেখেন, &#8216;পবিত্র ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের ত্যাগ কবুল করেন। আমাদের মাতৃভূমিসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ও মানবজাতির জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা দান করেন। একইসঙ্গে আমি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তার জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।&#8217;</p>
<p>পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, &#8216;ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক এই পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তার অশেষ রহমত ও বরকতে আমাদের জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।&#8217;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111317/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মধ্যপ্রাচ্যে সব দেশ একজোট হয়েছে, মার্কিন আধিপত্যের দিন শেষ হয়ে আসছে</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111315</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111315#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111315</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_212552.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের ধাক্কা ও এর ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চিরশত্রু দেশগুলোও এখন একটি শান্তিচুক্তির পক্ষে একজোট হয়েছে। ইসরায়েল ও ওয়াশিংটনে তেল আবিব সমর্থকদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা ট্রাম্প প্রশাসনকে একটি খসড়া চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করেছে।
এসব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এমন এক সময়েই ঘটছে, যখন ওই অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়িষ্ণু ক্ষমতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_212552.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের ধাক্কা ও এর ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চিরশত্রু দেশগুলোও এখন একটি শান্তিচুক্তির পক্ষে একজোট হয়েছে। ইসরায়েল ও ওয়াশিংটনে তেল আবিব সমর্থকদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা ট্রাম্প প্রশাসনকে একটি খসড়া চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করেছে।</p>
<p>এসব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এমন এক সময়েই ঘটছে, যখন ওই অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়িষ্ণু ক্ষমতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নিজেদের নতুন করে সাজাচ্ছে। বিশেষ করে যখন ওয়াশিংটন ইরানের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হানতে, হরমুজ প্রণালি জোরপূর্বক উন্মুক্ত করতে কিংবা তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p>অবশ্য এ অঞ্চলে তেহরানের বন্ধু খুব কমই আছে। তবে দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা টিকে যাওয়ার কারণে প্রতিবেশীরা বাধ্য হয়েই তাদের সঙ্গে একটি সমঝোতার পথ খুঁজছে।লন্ডনের কিংস কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিয়েগ বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো (যুক্তরাষ্ট্রে) লাখ লাখ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার পরও ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় ওয়াশিংটন যেভাবে সবার আগে ইসরায়েলকে রক্ষা করেছে, এ ঘটনা তাদের হতবাক করেছে।</p>
<p>আন্দ্রেয়াস বলেন, ‘আমরা সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের শেষ দিনগুলো দেখছি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতার ওপর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর মোহ পুরোপুরি কেটে গেছে।’</p>
<p>তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য গত সপ্তাহের শেষ দিকে পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তারা ইরানে যান। তাঁদের এ চূড়ান্ত চেষ্টার পরই একটি খসড়া চুক্তিতে সবাই একমত হন। গত শনিবার আটটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতারা ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাঁরা তাঁকে এমন একটি চুক্তি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান, যার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হবে, হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হবে।যুদ্ধের আগে এসব দেশ ওয়াশিংটনের কাছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুক্তির কাছে হেরে গিয়েছিল। কিন্তু এবার তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে পেছনে ফেলতে পেরেছে। নেতানিয়াহুও একই দিনে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এখন ঘোষণা দিয়েছেন যে চুক্তির বিষয়ে ‘অনেকটাই আলোচনা হয়ে গেছে’।</p>
<p>গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে ‘আমি যা বলব, তিনি তা-ই করবেন।’ গত সোমবার টাইমস অব ইসরায়েল পত্রিকায় প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণী খবরের শিরোনাম ছিল, ‘ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার হিসেবে ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিল, আর এখন সাইডলাইনে থেকে তা শেষ করছে’।</p>
<p>এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল এবং নিজেরাও বিমান হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু এখন তারাও সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসরের পাশাপাশি শান্তিচুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।এ অঞ্চলে একমত হওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মধ্যকার প্রভাব বিস্তারের তিক্ত লড়াই কিছুটা কমেছে বলে মনে হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে এ দুই দেশের শাসকদের মধ্যে বেশ কয়েকবার ফোনে কথা হয়েছে।</p>
<p>যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ট্রাম্পের বিখ্যাত আব্রাহাম চুক্তিতে নতুন করে অন্য দেশগুলোর যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এ চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল ও বেশ কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা। গত শনিবার কনফারেন্স কলে ট্রাম্প যখন আরও দেশকে এ চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, তখন সবাই চুপ ছিল বলে জানা গেছে। এ মধ্যস্থতাপ্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছে পাকিস্তান (ইসলামাবাদ)। তারা বলেছে, মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিভেদ থাকলে তা কেবল ইসরায়েলেরই সুবিধা করে দেয়।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাসুদ খান বলেন, ইসলামাবাদের আসল সাফল্য হলো, অন্যান্য দেশকেও শান্তিপ্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে পারা। তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরব ও কাতার নিজ নিজ জায়গা থেকে এ প্রচেষ্টাকে সমর্থন জুগিয়েছে।মাসুদ খান বলেন, পাকিস্তান একা এ পথে এগোতে পারত না। নিজেদের মধ্যস্থতাকে আরও গ্রহণযোগ্য করতে তাদের চারপাশের সমর্থন প্রয়োজন ছিল।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে এক ডজনের বেশি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আছে এবং তা ভবিষ্যতেও থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন নিজেদের অঞ্চলে এবং এর বাইরে নতুন নিরাপত্তাসঙ্গীর খোঁজ করছে, যেখানে ইউরোপ আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যুদ্ধের সময় সৌদি আরবকে রক্ষায় সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল পাকিস্তান।</p>
<p>অন্যদিকে, মিসরের সবচেয়ে বড় আর্থিক সহায়তাকারী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিসরের সৈন্য ও বিমান মোতায়েন করা হয়েছিল। এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে একে অপরের ওপর হামলা না করার চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে।</p>
<p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবদুল খালেক আবদুল্লাহ বলেন, তাঁর দেশ চেয়েছিল ইরানের কাছে যেন কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন না থাকে, তারা যেন প্রক্সি যুদ্ধ না করে এবং তাদের কোনো পারমাণবিক কার্যক্রম না থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা অসম্ভব বলে প্রমাণিত হয়েছে।আবদুল্লাহ বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত খুবই বাস্তববাদী একটি দেশ। ইরান এখনো বড় এক হুমকি। তবে ২০ বছর ধরে আমরা যে ক্ষমতাশালী ইরানকে দেখেছি, তারা এখন আর তেমন নেই।’</p>
<p>আবদুল্লাহ বলেন, নতুন এক মধ্যপ্রাচ্যের উত্থান ঘটছে, যেখানে দুর্বল হয়ে পড়া তেহরানের শূন্যতা পূরণ করতে তুরস্ক, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছে।</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_212529.jpg" alt="---" />নতুন উদীয়মান এক অক্ষ গড়ে উঠছে সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে, যারা গত বছর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এ ব্যবস্থার মধ্যে তুরস্ক, কাতার ও মিসরকেও অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা চলছে, যাকে ‘মুসলিম ন্যাটো’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। অন্যপাশে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার একটি জোট, যা ‘আইটুইউটু’ গ্রুপ নামে পরিচিত।লন্ডনের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ফেলো এইচ এ হেলিয়ার বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলো হিসাব কষে দেখেছে যে তেহরানের সরকার বদল করাটা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে এবং চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। আর এমনটা কেবল ইসরায়েলই চেয়েছিল।</p>
<p>হেলিয়ার আরও বলেন, ট্রাম্পও ভালোভাবে বুঝে গিয়েছিলেন যে এ যুদ্ধ থেকে তিনি নিজের কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন না। তাই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাঁকে চুক্তি মানতে জোর করেনি। বরং এই চুক্তিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর ব্যাপক সমর্থন আছে, ট্রাম্পকে শুধু এমনটা বলার সুযোগ করে দিয়েছে।</p>
<p>হেলিয়ার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা এখন আর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে তৈরি হচ্ছে না। উপসাগরীয় দেশগুলো ক্রমেই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনের মুহূর্তে হয়তো ওয়াশিংটন তাদের পাশে থাকবে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111315/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হামলার পরও মার্কো রুবিও বললেন, ইরানের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যে চুক্তি সম্ভব</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111312</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111312#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111312</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/amar-sangbad-20260526051254.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকে: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর কারণে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এখনো দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তির সম্ভাবনা আছে। আজ মঙ্গলবার ভারতের জয়পুর সফরকালে রুবিও সাংবাদিকদের এমনটা বলেছেন।
জয়পুর শহরে সরকারি সফরের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজ কাতারে কিছু আলোচনা হয়েছে। তাই আমরা দেখতে চাই, কোনো অগ্রগতি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/amar-sangbad-20260526051254.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকে: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর কারণে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এখনো দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তির সম্ভাবনা আছে। আজ মঙ্গলবার ভারতের জয়পুর সফরকালে রুবিও সাংবাদিকদের এমনটা বলেছেন।</p>
<p>জয়পুর শহরে সরকারি সফরের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজ কাতারে কিছু আলোচনা হয়েছে। তাই আমরা দেখতে চাই, কোনো অগ্রগতি করা যায় কি না। আমার মনে হয়, প্রাথমিক নথির নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অনেক আলোচনা চলছে। তাই এটি চূড়ান্ত হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।’</p>
<p>রুবিও আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড ট্রাম্প) চুক্তি করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি হয় একটি ভালো চুক্তি করবেন, নয়তো কোনো চুক্তিই হবে না।’ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র গতকাল সোমবার ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।</p>
<p>কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে নতুন দফার আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য ইরানের শীর্ষ আলোচকেরা কাতারের দোহায় পৌঁছানোর পরই এসব হামলা চালানো হয়।যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বিশ্বের জ্বালানি রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে মার্কো রুবিও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি অবশ্যই খোলা থাকতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একভাবে হোক বা অন্যভাবে, এই নৌপথ খোলা থাকবেই। তাই এটি খোলা রাখা প্রয়োজন। সেখানে যা ঘটছে, তা অবৈধ এবং বিশ্বের জন্য টেকসই নয়। এটি অগ্রহণযোগ্য।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111312/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইরানে আবারও হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111310</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111310#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111310</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_121121.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের চেষ্টায় নিয়োজিত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই আকস্মিক হামলা এমন এক সময়ে এল যখন দুই দেশের মধ্যে সংঘাত অবসানে কাতারের দোহায় ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_121121.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের চেষ্টায় নিয়োজিত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের এই আকস্মিক হামলা এমন এক সময়ে এল যখন দুই দেশের মধ্যে সংঘাত অবসানে কাতারের দোহায় কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবারের (২৬ মে) বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>
<p>সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, দক্ষিণ ইরানের কৌশলগত বন্দর নগরী এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি বন্দর আব্বাসের নিকটবর্তী এলাকায় এই সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হয়েছে। বন্দর আব্বাস শহরটি হরমুজ প্রণালীর প্রবেশদ্বারে অবস্থিত হওয়ায় এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল।</p>
<p>এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল যে বন্দর আব্বাসে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। মার্কিন মুখপাত্র বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির সময়ে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর পাশাপাশি মার্কিন বাহিনী তাদের সৈন্যদের নিরাপত্তা রক্ষায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে।</p>
<p>এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে এটি চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। সপ্তাহান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই পক্ষ চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে বলে আভাস দিলেও, পরবর্তীতে তিনি তার আলোচকদের তাড়া না করার নির্দেশ দেন।</p>
<p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবারের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছিলেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেন, অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হলেও চুক্তি স্বাক্ষর এখনই আসন্ন—এমন দাবি কেউ করতে পারে না।</p>
<p>বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে মূলত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী আলোচনার একটি খসড়া সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় আহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই বর্তমানে একটি অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করায় তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়েছে, যা আলোচনার গতিকে মন্থর করছে।</p>
<p>এছাড়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল অবমুক্ত করা এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের মতো জটিল বিষয়গুলো চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পথে বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরুতে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল, যা দিয়ে সহজেই পারমাণবিক বোমা তৈরি সম্ভব। সোমবার রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হয় অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে, অথবা ইরানের মাটিতেই তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে হবে।</p>
<p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল থেকে উভয় পক্ষ একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি পালন করে আসছিল, যা এই নতুন হামলার মাধ্যমে বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়ল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111310/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পবিত্র হজ আজ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার প্রান্তর</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111308</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111308#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111308</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_120440.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্‌দা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুল্‌ক, লা শারিকা লাক’&#8230; ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান। যার অর্থ: ‘আমি হাজির। হে আল্লাহ! আমি হাজির। তোমার কোন শরিক নেই। সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধুই তোমার। সাম্রাজ্য তোমারই। তোমার কোন শরিক নেই।’
বিশ্ব ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260526_120440.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্‌দা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুল্‌ক, লা শারিকা লাক’&#8230; ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান। যার অর্থ: ‘আমি হাজির। হে আল্লাহ! আমি হাজির। তোমার কোন শরিক নেই। সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধুই তোমার। সাম্রাজ্য তোমারই। তোমার কোন শরিক নেই।’</p>
<p>বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মিলন পবিত্র হজ। আজ প্রভাত থেকে আরাফার আদিগন্ত মরু প্রান্তর এক অলৌকিক পুণ্যময় শুভ্রতায় ভরে উঠেছে। সফেদ-শুভ্র দুই খণ্ড কাপড়ের এহরাম পরিহিত হাজিদের অবস্থানের কারণে সাদা আর সাদায় একাকার। পাপমুক্তি আর আত্মশুদ্ধির আকুল বাসনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এই পবিত্র হজ পালন করছেন।</p>
<p>আজ ফজরের পর গোটা দুনিয়া থেকে আগত ২০ লক্ষাধিক মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারের বেশি।</p>
<p>আজ ৯ জিলহজ মূল হজের দিন তারা এখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। চার বর্গমাইল আয়তনের এই বিশাল সমতল মাঠের দক্ষিণ দিকে মক্কা হাদা তায়েফ রিং রোড, উত্তরে সাদ পাহাড়। সেখান থেকে আরাফাত সীমান্ত পশ্চিমে আরো প্রায় পৌনে ১ মাইল বিস্তৃত। মুসলমানদের অতি পবিত্র এই ভূমিতে যার যার মতো সুবিধাজনক জায়গা বেছে নিয়ে তারা ইবাদত করবেন; হজের খুতবা শুনবেন এবং জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। আরাফার ময়দানের মসজিদে নামিরায় জোহরের নামাজের আগে এ বছর পবিত্র হজের খুতবা দেবেন মদিনার মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি।</p>
<p>সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহ তা’আলার জিকির আসকার ইবাদতে মশগুল থাকবেন। অতঃপর মুযদালিফার উদ্দেশ্যে আরাফার ময়দান ত্যাগ করবেন এবং মুযদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ এশার ওয়াক্তে একত্রে পড়বেন এবং সমস্ত রাত অবস্থান করবেন। মিনায় জামরাতে নিক্ষেপ করার জন্য ৭০টি কংকর এখান থেকে সংগ্রহ করবেন। মুযদালিফায় ফজরের নামাজ পড়ে পুনরায় মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন। ১০ জিলহজ মিনায় পৌঁছার পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। প্রথমে মিনাকে ডান দিকে রেখে হাজিরা দাঁড়িয়ে শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ করবেন। দ্বিতীয় কাজ আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন। তৃতীয় পর্বে মাথা ন্যাড়া করা। চতুর্থ কাজ তাওয়াফে জিয়ারত। জিলহজের ১১ তারিখ মিনায় রাত যাপন করে দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাজিরা বড়, মধ্যম ও ছোট শয়তানের ওপর সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। আর এ কাজটি করা সুন্নত।</p>
<p>মহান আল্লাহ হজরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে (আ.) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি যেন তার সবচেয়ে প্রিয় কিছু আল্লাহর জন্য কোরবানি করেন। পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) ছিলেন হজরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের সবচেয়ে প্রিয়। মিনার এই স্থানে তিনি আল্লাহকে খুশি করতে যখন নিজের সবচেয়ে প্রিয় পুত্রকে নিয়ে যান, তখন সেখানে উপস্থিত হয় শয়তান। যেটি নবি ইব্রাহিমকে আল্লাহর আদেশ অমান্য করতে প্ররোচনা দিচ্ছিল। ঐ সময় ইব্রাহিম (আ.) শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। এখন হাজিরা এ স্থানে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর মারেন।</p>
<p>মক্কায় পৌঁছার পর হাজিদের একটি কাজ অবশিষ্ট থাকে। সেটি হচ্ছে কাবা শরিফ তাওয়াফ করা। একে বলে বিদায়ি তাওয়াফ। স্থানীয়রা ছাড়া বিদায়ি তাওয়াফ অর্থাত্ কাবা শরিফে পুনরায় সাত বার চক্কর দেওয়ার মাধ্যমে হাজিরা সম্পন্ন করবেন পবিত্র হজব্রত পালন।</p>
<p>এদিকে গতকাল সারা দিন ও রাতে হজযাত্রীরা মিনায় অবস্থান করেন। সেখানেই শুরু হয় পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। প্রতি বছর হজের সময় মুসলিমদের অস্থায়ী আবাস হিসেবে মিনায় বসানো রাখা হয়েছে লাখ লাখ তাঁবু। পবিত্র মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার অদূরের মিনা যেন তাঁবুর শহর। যেদিকে চোখ যায়, তাঁবু আর তাঁবু। তাঁবুতে প্রত্যেকের জন্য আলাদা ফোম, বালিশ, কম্বল বরাদ্দ। ফোমের নিচে বালু। মিনায় অবস্থান করা হজের অংশ। হজযাত্রীরা নিজ নিজ তাঁবুতে নামাজ আদায়সহ অন্যান্য ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকেন।</p>
<p>পবিত্র হজ উপলক্ষ্যে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ময়দান, মুজদালিফা ও এর আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি সরকার। মোতায়েন আছে ১ লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।</p>
<p>এদিকে সৌদিতে গতকাল গড় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রখর রোদ আর প্রচণ্ড গরম। সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছিল, তীব্র গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন হাজিরা। গত বছরের প্রাণঘাতী গরমের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার কাজ করছে ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা এবং আড়াই লাখ কর্মকর্তা। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে এবার হজ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছে ড্রোন ক্যামেরা ও বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111308/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>অধিকাংশ কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ঈদ বোনাস এখনো বাকি</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111306</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111306#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[জীবনযাপন]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[শিল্প বাণিজ্য]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111306</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260525_182637.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: দেশের আটটি শিল্প অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার শিল্পকারখানার মধ্যে সাড়ে ৩৬ শতাংশ গতকাল রোববার বিকেল চারটা পর্যন্ত তাদের শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করেনি। শুধু তা–ই নয়, ৫ শতাংশ কারখানায় এখনো গত এপ্রিল মাসের বেতন বাকি রয়ে গেছে।
দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ২১ মের মধ্যে এবং মাসিক বেতন নির্ধারিত তারিখে আবশ্যিকভাবে পরিশোধের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260525_182637.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: দেশের আটটি শিল্প অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার শিল্পকারখানার মধ্যে সাড়ে ৩৬ শতাংশ গতকাল রোববার বিকেল চারটা পর্যন্ত তাদের শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করেনি। শুধু তা–ই নয়, ৫ শতাংশ কারখানায় এখনো গত এপ্রিল মাসের বেতন বাকি রয়ে গেছে।</p>
<p>দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ২১ মের মধ্যে এবং মাসিক বেতন নির্ধারিত তারিখে আবশ্যিকভাবে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ১৪ মে ঢাকার সিরড্যাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) এবং আরএমজিবিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের সভায় মন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।অন্যান্য ঈদের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শ্রমিকের বেতন-বোনাস না পাওয়াকে মালিকদের একটি অংশের গাফিলতি বলে মনে করেন শ্রমিকনেতারা। তাঁরা বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে বেতন–বোনাস না দিলে সরকারের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় না। সে জন্যই মূলত পরিস্থিতির উন্নতি হয় না।</p>
<p>অন্যদিকে শিল্পমালিকেরা বলছেন, চার সপ্তাহের মধ্যে এপ্রিলের বেতন, ঈদ বোনাস ও চলতি মে মাসের আংশিক অগ্রিম বেতন দিতে গিয়ে অনেক শিল্পকারখানা আর্থিক সংকটে পড়েছে। আজ সোমবার ও কাল মঙ্গলবার বেতন-বোনাস পরিশোধ হবে অনেক কারখানায়। বেতন-বোনাস পরিশোধের চিত্র<br />
সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট—এই আটটি শিল্পাঞ্চলের ১০ হাজার ২৩৮টি শিল্পকারখানা পর্যবেক্ষণ করে শিল্প পুলিশ। সংস্থাটি জানিয়েছে, গতকাল বিকেল চারটা পর্যন্ত ৫৩৫ কারখানার শ্রমিকদের গত এপ্রিল মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান ১১৫টি।</p>
<p>শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬ হাজার ৪৯৩টি অর্থাৎ ৬৩ শতাংশ কারখানা বোনাস দিয়েছে। এর মানে এখনো ৩ হাজার ৭৪৫ বা ৩৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ কারখানার বোনাস দেওয়া বাকি।</p>
<p>শিল্প পুলিশ জানায়, তাদের পর্যবেক্ষণে থাকা বিজিএমইএর সদস্য ১ হাজার ৭৯০ কারখানার মধ্যে ৩৫ শতাংশ গতকাল পর্যন্ত শ্রমিকের ঈদ বোনাস পরিশোধ করেনি।</p>
<p>অবশ্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছে, গত শনিবার পর্যন্ত তাদের সচল ২ হাজার ১৩৪ কারখানার মধ্যে ৯২ শতাংশ বোনাস দিয়েছে। ৫৩২টি কারখানা চলতি মাসের আংশিক অগ্রিম বেতন দিয়েছে।</p>
<p>জানতে চাইলে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘দুটি কারখানার বেতন-বোনাস নিয়ে সমস্যা ছিল। তার মধ্যে একটি সমাধান করেছি। আরেকটির সমাধানের চেষ্টা চলছে।’ তিনি আরও বলেন, বেতন বোনাস বাকি থাকা কারখানাগুলো কাল ও পরশু (আজ ও কাল) পরিশোধ করে ছুটি দিয়ে দেবে।</p>
<p>শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাদের পর্যবেক্ষণে থাকা বিকেএমইএর সদস্য ৭০৮টি কারখানার মধ্যে ৩৯ শতাংশের বোনাস বাকি রয়েছে।</p>
<p>এ নিয়ে নিট পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আমাদের সচল সদস্য ৭৮৮ কারখানার মধ্যে ৯৯ দশমিক ১১ শতাংশ কারখানা গত মাসের বেতন দিয়েছে। ৮০ শতাংশ কারখানা চলতি মাসের ১০ বা ১৫ দিনের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে। আর বেশ কিছু কারখানা সোম, মঙ্গল ও বুধবার ছুটির সময় বোনাস দেবে।’</p>
<p>জানতে চাইলে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাবেক মহাসচিব সালাউদ্দিন স্বপন বলেন, পোশাকশিল্পের মালিকেরা রপ্তানি প্রণোদনার অর্থ পেয়েছেন। তারপরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকের বেতন ও বোনাসের টাকা পরিশোধ না করাটা লজ্জাজনক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111306/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কিচেন কেবিনেট’-এর সিদ্ধান্তে চলত অন্তর্বর্তী সরকার: তৌহিদ হোসেন</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111304</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111304#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111304</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনায় সাত সদস্যের একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ সক্রিয় ছিল বলে দাবি করেছেন সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এই চক্রটিই নিতো এবং তারা প্রতি মঙ্গলবার যমুনাতে বৈঠকে বসত। এই প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপ ও মন্ত্রণালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু সরকারের অস্বস্তির কথা ভেবে তা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিবিসি২৪নিউজ,কূটনৈতিক প্রতিবেদক ঢাকা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনায় সাত সদস্যের একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ সক্রিয় ছিল বলে দাবি করেছেন সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এই চক্রটিই নিতো এবং তারা প্রতি মঙ্গলবার যমুনাতে বৈঠকে বসত। এই প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপ ও মন্ত্রণালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু সরকারের অস্বস্তির কথা ভেবে তা আর সম্ভব হয়নি।</p>
<p>এক সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, কিচেন কেবিনেটের সদস্যদের অভিজ্ঞতা কম থাকলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের মতামতকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হতো। তিনি বলেন, “আমি যমুনাতে তাদের একটি বৈঠকে একবার গিয়েছিলাম। পরে জানতে পারি প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন। সিদ্ধান্ত কেউ কেউ নেয় এমন কথাবার্তা আমার কানেও আসত।”</p>
<p>জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘ডিপ স্টেট’ বা অদৃশ্য কোনো শক্তির সক্রিয়তা নিয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ডিপ স্টেট পৃথিবীর সব ঘটনার সাথেই যুক্ত থাকে। তারা স্রোতের বিপরীতে যায় না, বরং স্রোতের সাথে থেকে পরিস্থিতি ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করে।</p>
<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন অনেক বিষয় থেকেই তাকে অন্ধকারে রাখা হতো বলে জানান তিনি। বিশেষ করে, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে সামান্যতমও যুক্ত ছিল না। এর সাথে যুক্ত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে চুক্তিটি সই করার বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই যথাযথ ছিল।”</p>
<p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি যে কাজে আসবে না তা তিনি আগে থেকেই জানতেন। তবে প্রথা অনুযায়ী কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়েছিল।</p>
<p>নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তৌহিদ হোসেনের মূল্যায়ন হলো, “আমি মনে করি আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে শেষ হয়ে যাবে না। আমাদের দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয়, তাই আমার অনুমান তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।”</p>
<p>নতুন সরকার ও বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এই অভিজ্ঞ কূটনীতিক। তবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111304/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দিবে এডিবি</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111302</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111302#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111302</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260525_180600.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: বাংলাদেশ সফররত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্ডা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকার খাতগুলো নিয়ে আলোচনা হয় এবং আগামী পাঁচ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণা দেয় এডিবি।
সোমবার (২৫ মে) অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঢাকা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260525_180600.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: বাংলাদেশ সফররত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্ডা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকার খাতগুলো নিয়ে আলোচনা হয় এবং আগামী পাঁচ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণা দেয় এডিবি।</p>
<p>সোমবার (২৫ মে) অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঢাকা অফিস।</p>
<p>বৈঠকে মাসাতো কান্ডা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন ধাপে প্রবেশ করছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখা, প্রবৃদ্ধির নতুন উৎস তৈরি এবং সংকট মোকাবিলায় সক্ষম বহুমুখী অর্থনীতি গঠনে এডিবি বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>১.৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি</p>
<p>সফরকালে ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিশ্রুতি কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি সই করেছে এডিবি। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>এডিবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, এলএনজি, সার ও শিপিং খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকিং খাতেও চাপ বিদ্যমান।</p>
<p>সংস্থাটি আরও জানায়, সরকার ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি জ্বালানি ও রপ্তানি খাতের বহুমুখীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে অতিরিক্ত অর্থায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কাজ করবে এডিবি।</p>
<p>নতুন উদ্যোগে ৫ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার</p>
<p>বৈঠকে ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ নামে নতুন একটি উদ্যোগের প্রস্তাব দেন এডিবি প্রেসিডেন্ট। এই উদ্যোগের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে মোট ৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা প্রতি বছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার করে প্রদান করা হবে।</p>
<p>এই অর্থায়নের লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুষম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা। এডিবি জানিয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্যাকেজ তাদের বার্ষিক সার্বভৌম প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কৌশলগতভাবে যুক্ত থাকবে।</p>
<p>বার্ষিক সহায়তা বাড়বে ২০ শতাংশ</p>
<p>মধ্যমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য এডিবির বার্ষিক সার্বভৌম সহায়তা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে বর্তমান দুই বিলিয়ন ডলারের সহায়তা বেড়ে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে।</p>
<p>এডিবির মতে, বাড়তি এই তহবিল বিনিয়োগভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, সুশাসন জোরদার এবং এলডিসি থেকে উত্তরণ প্রক্রিয়ায় সহায়ক হবে।</p>
<p>এছাড়া বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন রূপরেখা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য দুই মিলিয়ন ডলারের কারিগরি সহায়তাও দেবে সংস্থাটি।</p>
<p>অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক</p>
<p>ঢাকা সফরকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী–এর সঙ্গেও বৈঠক করেন মাসাতো কান্ডা। বৈঠকে চলমান সংস্কার কার্যক্রম, সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা এবং সরকারের অগ্রাধিকার খাতগুলোতে এডিবির সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>এছাড়া দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন এডিবি প্রেসিডেন্ট। সেখানে বিনিয়োগের সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা, পুঁজিবাজার উন্নয়ন এবং যৌথ অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111302/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার &#8216;স্বাধীন তদন্ত&#8217; চাচ্ছে সরকার!</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111299</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111299#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<category><![CDATA[স্বাস্থ্যকথা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111299</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260523_201114.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: দেশে হাম পরিস্থিতি ও এই রোগের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। হাম পরিস্থিতি এই পর্যায়ে এলো কেন- তা বের করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওকে একটি &#8216;স্বাধীন তদন্ত&#8217; করার জন্য অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছে সরকার।
এ বিষয়ে বৈশ্বিক এই সংস্থাটির কাছ থেকে ইতিবাচক জবাব পাওয়া গেছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/05/20260523_201114.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: দেশে হাম পরিস্থিতি ও এই রোগের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। হাম পরিস্থিতি এই পর্যায়ে এলো কেন- তা বের করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওকে একটি &#8216;স্বাধীন তদন্ত&#8217; করার জন্য অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছে সরকার।</p>
<p>এ বিষয়ে বৈশ্বিক এই সংস্থাটির কাছ থেকে ইতিবাচক জবাব পাওয়া গেছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।</p>
<p>&#8220;আমরা কাউকে ঢালাও দোষারোপ করতে চাই না বা কাউকে এককভাবে দায়ও নিতে চাই না। তবে ভুলের যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য হাম পরিস্থিতি কেন এমন হলো সেটা জানা দরকার। সেজন্যই একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনকোয়ারির জন্য ডব্লিওএইচওকে আমরা অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছি। তারাও আগ্রহ দেখিয়েছে,&#8221; বলছিলেন মি. হায়দার।</p>
<p>যদিও এর আগে ইউনিসেফ ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিল যে, হাম পরিস্থিতি নিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে তারা অন্তত পাঁচটি চিঠি দিয়েছিল এবং এছাড়া বিভিন্ন বৈঠকে অন্তত ১০ বার সতর্ক করা হয়েছিল।</p>
<p>তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের কাছে তার প্রতিক্রিয়ায় ইউনিসেফের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, হামের টিকার স্বল্পতা মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগ করে অনেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন। হাম উপসর্গে শত শত শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করে ঢাকায় নানা কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন।</p>
<p>বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে কেন কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।</p>
<p>তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সচিব ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সরকার। কেন এত শিশুর মৃত্যু হলো বা এক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক বেনজির আহমদ বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দোদুল্যমানতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বই এই পরিস্থিতির জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী; কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে মহামারি শুরু হওয়ার পরে এটাকে হালকাভাবে নেওয়ার কারণেই অনেক মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়নি।সবশেষ পরিস্থিতি ও কারণ<br />
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন<br />
বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল<br />
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।<br />
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।</p>
<p>ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন<br />
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল<br />
স্বাস্থ্য বিভাগ আজ জানিয়েছে, গত ১৫ই মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬, আর হাম উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪২৬টি শিশু।</p>
<p>এছাড়া একই সময়ে সারাদেশে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬২ হাজারের বেশি শিশু।</p>
<p>পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের দিক থেকে টিকা সংগ্রহ এবং ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের ব্যাপক টিকাদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাম পরিস্থিতির জন্য বরাবরই বিগত সরকারের টিকা সংগ্রহ ও টিকাদানে ব্যর্থতাকেই দায়ী করে আসছেন।</p>
<p>তিনি আজ শনিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, &#8220;আগের সরকারের গাফিলতির কারণেই সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। কিন্তু এ ঘটনায় যারা দোষী, এখন তাদের বিচারের ব্যবস্থা করার চেয়ে এই মুহূর্তে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়াই সরকারের কাছে বেশি জরুরি।&#8221;</p>
<p>এ নিয়ে হাইকোর্টে যে রিট হয়েছে সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, &#8220;ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থা বাদ দিয়ে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি চালু করায় দেশে টিকার তীব্র সংকট তৈরি হয়&#8221;।</p>
<p>অর্থাৎ টিকা পরিস্থিতি নিয়ে যারা অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের মূল বক্তব্য হলো- ওই সময় টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন করার কারণে সময়মতো টিকা সংগ্রহ করা যায়নি এবং সে কারণেই জাতীয়ভাবে টিকার ঘাটতি হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ সাধারণত শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হাম-রুবেলা টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতি চার বছর অন্তর দেশব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো হয় যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই ক্যাম্পেইন হয়নি বলে জাতীয় সংসদে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।ওই সময়ের প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান অবশ্য গত পহেলা মে ফেসবুকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।</p>
<p>সেখানে তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সব টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমেই সংগ্রহ করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেছেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ইউনিসেফের কাছ থেকে টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এর মূল্য পরে পরিশোধ করা হয়েছে।</p>
<p>তার দাবি, ২০২৫ সালে টিকা না পেয়ে মানুষের ফিরে যাওয়ার ঘটনাও জানা যায় না।</p>
<p>যদিও ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার উন্মুক্ত টেন্ডারে টিকা কেনার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেই কারণেই বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রয় প্রক্রিয়ায় দেরি হয়েছে।</p>
<p>তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কাজ করেছেন এমন একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তখন সরকার প্রথমে টিকা কেনার জন্য ইউনিসেফের সাথেই যোগাযোগ করেছিল।</p>
<p>কিন্তু পরবর্তীতে পরিকল্পনা কমিশন উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার পরামর্শ দিলে উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করে।</p>
<p>এরপর সরকারের দিক থেকে টিকা কেনার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলেও ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ার কারণেই মূলত পরে পর্যাপ্ত টিকা আসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।এত মৃত্যুর দায় কার?<br />
হাম পরিস্থিতির অবনতির জন্য ইউনিসেফ অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে আঙুল তুললেও ওই সরকারের কর্মকর্তারা বলছেন, সেই সময় প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তখন টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়নি।</p>
<p>ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলছেন, বৈশ্বিকভাবেই হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে এবং বাংলাদেশে হামের যে পরিস্থিতি তার জন্য কাউকে এককভাবে দায়ী করা ঠিক হবে না।</p>
<p>&#8220;এখন যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের বয়স পাঁচ বছরের কম। করোনা মহামারির জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিপর্যয়ে পড়েছিল। ২০২৪/২৫ সালে টিকাদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন হয়নি। তাছাড়া মায়েদের ও শিশুদের অপুষ্টিও হামের প্রাদুর্ভাবে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে,&#8221; বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।</p>
<p>মি. হায়দার বলেন, &#8220;তারপরেও আমরা যাতে ভুল না করি কিংবা কোনো ভুল হয়ে থাকলে তার যেনে পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য হাম পরিস্থিতি এই পর্যায়ে আসার কারণ খুঁজে বের করতে আমরা ডব্লিওএইচওকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনকোয়ারি করতে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিয়েছি। তারাও আগ্রহ দেখিয়েছে&#8221;।</p>
<p>প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও ইতোমধ্যেই সতর্ক করে বলেছে, টিকাদানের হার কমে যাওয়ায় বিশ্বের কিছু অঞ্চলে আবার হাম রোগের পুনরুত্থান দেখা যাচ্ছে।</p>
<p>চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট এর তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক হাম প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে।</p>
<p>আবার, এপ্রিলের শেষ দিতে একটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করে ডব্লিউএইচও। হামের চলমান পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে &#8216;উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ&#8217; বলেও মূল্যায়ন করে সংস্থাটি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড মহামারির সময়ে সারাবিশ্বেই শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির ব্যাঘাতের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে টিকাবিরোধী প্রচারণাও বেড়েছে, যা হাম সংক্রমণ ফিরে আসার পথ তৈরি করেছে।</p>
<p>বাংলাদেশেও একটি গোষ্ঠী টিকার বিরুদ্ধে ধর্মীয় সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ আছে। আবারে করোনা মহামারির সময়ে ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের হাসপাতালে বা চিকিৎসা কেন্দ্রে নেননি অনেকে।</p>
<p>এরপর ২০২৪ সালের রাজনৈতিক সহিংসতার সময়ে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাঘাত হওয়ায় অনেকে সময়মত টিকা নিতে পারেনি।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বেনজির আহমদ বলছেন, হাম হচ্ছে শিশুদের প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকায়, আর এই প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়নি সময়মতো টিকা না দেওয়ায়। আবার টিকা সময়মতো আসেনি অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে।</p>
<p>&#8220;এই যুগে পাঁচ শতাধিক বাচ্চার এভাবে মৃত্যু অকল্পনীয়। শুরুতেই এর ব্যাপকতা অনুধাবন করে মহামারি ঘোষণা করে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিলে এত মৃত্যু হয়তো আমাদের দেখতে হতো না। মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য শুরুতেই কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা ও জাতীয় নির্দেশিকা তৈরি করা উচিত ছিল,&#8221; বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।</p>
<p>মি.আহমদ বলেন প্রতিটি মৃত্যু শুরু থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা অডিট করলে পরবর্তীতে মৃত্যু ঠেকাতে করণীয় খুঁজে পেতে সহায়ক হত।</p>
<p>&#8220;এগুলো কিছুই হয়নি। আর মনোযোগ দিয়ে নিবিড়ভাবে লড়াই করলে এত মৃত্যু হতো না,&#8221; বলছিলেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111299/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
