<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>BBC24 News</title>
	<link>https://www.bbc-24news.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 18:43:54 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: শফিকুর রহমান</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111538</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111538#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111538</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_004258.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: সংবিধানে গণভোটের কোনো বিধান নেই বলে সরকারি দলের দেওয়া যুক্তির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংবিধানে যদি গণভোটের প্রভিশন না থাকে, তবে ২০২৬ সালেও কোনো নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই; কারণ পুরনো সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৯ সালে। সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ থেকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_004258.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: সংবিধানে গণভোটের কোনো বিধান নেই বলে সরকারি দলের দেওয়া যুক্তির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংবিধানে যদি গণভোটের প্রভিশন না থাকে, তবে ২০২৬ সালেও কোনো নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই; কারণ পুরনো সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৯ সালে। সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণের অভিপ্রায়ই হলো সর্বোচ্চ আইন।’ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর জনগণের ইচ্ছাতেই বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে এবং সেই আদেশের আলোকেই নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিষয়টিকে উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একই প্রক্রিয়ায় হওয়া সংসদ নির্বাচন মানা হবে অথচ গণভোট অস্বীকার করা হবে—এমন দ্বৈতনীতি গ্রহণযোগ্য নয়।</p>
<p>পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকার গঠনের জন্য পাওয়া ৫১ শতাংশ মানুষের ভোট যদি বৈধ হয়, তবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়া ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের বৃহত্তর রায়কে কেন অস্বীকার করা হবে? দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক ধারা ফেরাতে অনেক আপত্তি সত্ত্বেও বিরোধী দল ৫১ শতাংশ ভোটের সরকার মেনে নিয়েছে। তাই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর রায় কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারি দলের ওয়াদা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির জানান, নির্বাচনের পর সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। বিরোধী দলের ৭৭ জন সংসদ সদস্য দুটি শপথই নিয়েছেন, অথচ সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।</p>
<p>জনগণের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদের ভেতরে ও রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শফিকুর রহমান। তিনি ১৯৯৪ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময়কার সরকার দাবি না মানায় তীব্র আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। বর্তমান সরকারকেও কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের অস্বস্তি দূর করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের অধিকার উপেক্ষিত হবে আর বিরোধী দল বসে বসে সংসদে সমর্থন দেবে, আমরা সেই বিরোধী দল নই। জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে অবশ্যই আমরা রুখে দাঁড়াব, আর আজকের ওয়াকআউট তারই অংশ।’</p>
<p>এ সময় সেখানে উপস্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বিরোধী দল শুরু থেকেই গণভোটের রায় মেনে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকার সংস্কারের বদলে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে। ওই কমিটির প্রতি বিরোধী দলের কোনো নৈতিক সমর্থন না থাকায় তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111538/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ঘিরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111536</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111536#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111536</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_003848.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালের মেগা মঞ্চে দীর্ঘ ২৪ বছর পর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার ঐতিহ্যবাহী মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে ঘিরে ফুটবলবিশ্বে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঠের লড়াই ছাড়িয়ে দুই দেশের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও ফুটবল বৈরিতার কারণে পুরো আটলান্টা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_003848.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালের মেগা মঞ্চে দীর্ঘ ২৪ বছর পর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার ঐতিহ্যবাহী মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে ঘিরে ফুটবলবিশ্বে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঠের লড়াই ছাড়িয়ে দুই দেশের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও ফুটবল বৈরিতার কারণে পুরো আটলান্টা শহরজুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে স্থানীয় পুলিশ বিভাগ।</p>
<p>আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ মানেই কেবল ফুটবল নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ইতিহাস, রাজনীতি আর আবেগের চরম বিস্ফোরণ। ১৯৮২ সালের রক্তক্ষয়ী ‘ফকল্যান্ড যুদ্ধ’ (আর্জেন্টাইনদের কাছে যা মালভিনাস নামে পরিচিত) দুই দেশের সম্পর্কে যে সংবেদনশীল ক্ষত তৈরি করেছিল, তা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর মাধ্যমে ফুটবল মাঠে এক অন্যরকম রূপ নেয়। সেই থেকে এই দুই পরাশক্তির লড়াই মানেই মাঠ ও মাঠের বাইরে এক বারুদ ঠাসা আবহ।</p>
<p>৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামের এই ম্যাচটিকে ঘিরে আটলান্টা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ফিফার টিকিট বণ্টন নীতি। সাধারণ ক্যাটাগরির টিকিটের কারণে দুই দেশের হাজার হাজার সমর্থক গ্যালারিতে একে অপরের পাশাপাশি বসার সুযোগ পাচ্ছেন। দুই দেশের চিরবৈরী সমর্থকদের কোনো সুনির্দিষ্ট পৃথকীকরণ না থাকায় এবং গ্যালারিতে ৫০-৫০ উপস্থিতির সম্ভাবনায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দাঙ্গা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরো আটলান্টা শহর ও স্টেডিয়াম এলাকা অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে।</p>
<p>কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর পর ড্রেসিংরুমে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ফকল্যান্ড যুদ্ধ নিয়ে গান গাওয়ার একটি ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করলেও, আর্জেন্টিনা ক্যাম্প এখন কেবল ফুটবলেই মনোযোগ দিতে চায়।</p>
<p>ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে মাঠের বাইরের হাইপ ও রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিতে সাফ মানা করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি শান্ত ভাষায় বলেন, আমার বার্তা খুবই পরিষ্কার—এটি স্রেফ একটি ফুটবল ম্যাচ, এর বেশি কিছু নয়। আমরা চমৎকার একজন কোচের অধীনে থাকা ভীষণ কঠিন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। তবে দিনশেষে এটি একটি ফুটবল ম্যাচ এবং আমাদের ভাবনায় কেবল সেটুকুই থাকবে।</p>
<p>একই সুর শোনা গেছে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, এই ম্যাচটি ডিয়েগোর ৮৬-র সেই কীর্তি এবং আমাদের গানগুলোর জন্য ফকল্যান্ড যুদ্ধের বীরদের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। তবে আমাদের বুঝতে হবে, ফকল্যান্ড বা মালভিনাস নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্র এগুলো নয়; মাঠে আমাদের মূল মনোযোগ কেবল ফুটবলেই রাখা উচিত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111536/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হরমুজ জাহাজ থেকে টোল নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111534</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111534#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111534</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_003353.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর আবারও অবরোধ কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থও নেওয়া হবে।
তবে ট্রাম্পের এ ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। উভয় দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যেই আজ সোমবার এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
ফক্স নিউজকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260714_003353.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর আবারও অবরোধ কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থও নেওয়া হবে।</p>
<p>তবে ট্রাম্পের এ ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। উভয় দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যেই আজ সোমবার এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।</p>
<p>ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে আজ ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করব। সম্ভবত এটা পরিচালনাও করব। আমরা প্রণালির অভিভাবক হব। এর জন্য আমাদের অর্থ দেওয়া উচিত।’</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, এ দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অনেক অর্থ’ দেওয়া উচিত। কারণ, এ নৌপথ ব্যবহারকারী দেশগুলো ধনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিনা মূল্যে এ সেবা আশা করা উচিত নয়।</p>
<p>এর কিছুক্ষণ পর নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র আবারও অবরোধ কার্যকর করছে। তিনি লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ হিসেবে পরিচিত হবে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যত ধরনের ব্যয় হবে, তার জন্য প্রণালি দিয়ে চলাচল করা প্রতিটি পণ্যবাহী জাহাজ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে। এই ব্যবস্থা কার্যকরের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে বলে জানান তিনি।</p>
<p>ট্রাম্প একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, ইরান অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘চুক্তি হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু তারা তা ভেঙেছে। তারা সব সময় চুক্তি ভাঙে। তাদের সঙ্গে আমাদের ১০টি চুক্তি হয়েছে। তাই এবার আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর হামলা চালাব।’</p>
<p>ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি বলেন, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকতে পারে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা বা তাদের বাহিনীকে রসদ সরবরাহ ইরানের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে পুরো অঞ্চল সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।</p>
<p>গতকাল রোববার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইরান। এরপর সোমবার দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ঘিরে গত সপ্তাহের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের সূচনা হয়।</p>
<p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, উপকূলীয় রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।</p>
<p>গত মাসের মাঝামাঝি স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা থাকলেও সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সেই সমঝোতার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111534/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বন্যার কবলে দেশ, ৭ জেলায় মৃত্যু ৪৪ জনের</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111532</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111532#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111532</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_123330.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা ৭ জেলায়, মৃত্যু ৪৪ জনের।পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।
বন্যাক্রান্ত ৭ জেলার প্রশাসকদের দেওয়া হয়েছে ১.৪৫ কোটি টাকা এবং ২,৬৫০ টন চাল।বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। আহত হয়েছেন ৩৯ জন। বন্যায় পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_123330.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা ৭ জেলায়, মৃত্যু ৪৪ জনের।পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮।</p>
<p>ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।</p>
<p>বন্যাক্রান্ত ৭ জেলার প্রশাসকদের দেওয়া হয়েছে ১.৪৫ কোটি টাকা এবং ২,৬৫০ টন চাল।বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। আহত হয়েছেন ৩৯ জন। বন্যায় পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।</p>
<p>দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪ জুলাই থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার। গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চ ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। চট্টগ্রামের পর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও বন্যা শুরু হয়।</p>
<p>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি। সেসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।</p>
<p>বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। আহত হয়েছেন ৩৯ জন। বন্যায় পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।</p>
<p>বৃষ্টি কমেছে<br />
এদিকে বিগত দুই দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি কমে আসায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। যদিও নতুন করে ফেনী, সিলেট ও উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় সেখানে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<p>বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ছয় জেলার পাঁচটি নদীর সাতটি পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো বান্দরবানে সাঙ্গু নদের বান্দরবান ও মাতামুহুরী নদীর লামা পয়েন্ট; চট্টগ্রামে সাঙ্গু নদের দোহাজারী পয়েন্ট; কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট; মৌলভীবাজারে মনু নদ ও নেত্রকোনায় সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্ট।</p>
<p>এখন স্থানীয় সরকার নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। সংকট ত্রাণ বা টাকার নয়, সমস্যা সমন্বয়ের।<br />
—গওহার নঈম ওয়ারা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ<br />
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান গতকাল রাত আটটার দিকে বলেন, শনিবার মোট পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীগুলো হলো মনু, কুশিয়ারা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও সোমেশ্বরী। শুক্রবার চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে ছিল। গতকাল তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সোমেশ্বরী।</p>
<p>সরদার উদয় রায়হান আরও বলেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে ফেনী, সিলেট ও উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। যদিও আগামী তিন দিনের মধ্যেই এসব এলাকার পানি কমতে শুরু করবে।</p>
<p>আবহাওয়া অধিদপ্তর গতকাল সন্ধ্যায় জানায়, গতকাল দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ফরিদপুরে—১৪৪ মিলিমিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছিল চট্টগ্রামের আমবাগান এলাকায়—১০৬ মিলিমিটার। এ ছাড়া রাঙামাটিতে ৯০, বান্দরবানে ৮৮, কক্সবাজারে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।কেউ স্বজন হারিয়েছেন, কেউ সহায়<br />
বন্যা ও পাহাড়ধসে কোনো কোনো পরিবার স্বজন হারিয়েছে। কোনো কোনো পরিবার হারিয়েছে সহায়সম্বল।</p>
<p>চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখিল ইউনিয়নের বোচারপাড়ায় গতকাল দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, নিজের বাড়িতে ঘরের ভাঙা দেয়াল কোদাল দিয়ে সরাচ্ছেন আবদুল কাদের। পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর স্ত্রী রিনা আক্তার। কথা বলতে বলতে বারবার চোখ মুছছিলেন তিনি।</p>
<p>রিনা আক্তার বললেন, ‘মাটির ঘরটাই ছিল আমাদের সম্বল। বুধবার রাতে হঠাৎ বন্যার ঢল এল। মুহূর্তেই ঘর তলিয়ে গেল। মাটির দেয়াল ভেঙে পড়তে শুরু করল। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে বের হয়ে আসি। এখন কোথায় থাকব, কী খাব—কিছুই জানি না।’</p>
<p>পাঁচ কক্ষের ওই মাটির ঘরেই আবদুল কাদের ও তাঁর বড় ভাই নূর কাদেরের পরিবার থাকত। দুই পরিবারে সদস্য ১৫ জন। দুই ভাই-ই দিনমজুর। প্রতিদিন কাজ করলে চুলা জ্বলে, না করলে চলে না সংসার। নতুন করে ঘর তোলার সামর্থ্য তাঁদের নেই। ভাঙা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আবদুল কাদের বলেন, ‘এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল।’</p>
<p>সহায়তা কত<br />
ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ জুলাই থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য দেশের ৬৪ জেলার প্রশাসকদের ৬ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যায় আক্রান্ত সাত জেলার প্রশাসকদের দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ৬৫০ টন চাল।</p>
<p>কিন্তু অনেকেই বলছেন সহায়তা না পাওয়ার কথা। যেমন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ মঙ্গলনগর বণিকপাড়ার সুকুমার আচার্যের (৪২) বাড়িতে কোনো সহায়তা যায়নি।</p>
<p>সুকুমারের স্ত্রী অর্পণা আচার্য বলেন, ‘খবর পাচ্ছি জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে ত্রাণসহায়তা দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের খবর কেউ নেয়নি। ঘরের চুলা নষ্ট হয়ে গেছে। মুদিদোকান থেকে আনা অল্প শুকনা খাবার খেয়ে দিনাতিপাত করছি।’</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_123347.jpg" alt="---" />বন্যার মতো দুর্যোগ যেমন খাবার ও সুপেয় পানির সংকট তৈরি করে, তেমনি সন্তানসম্ভবা মা, শিশুরা, প্রবীণেরা ঝুঁকিতে পড়েন। অসুস্থ মানুষের ওষুধের প্রয়োজন হয়, চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।</p>
<p>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গওহার নঈম ওয়ারা  বলেন, এখন স্থানীয় সরকার নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। সংকট ত্রাণ বা টাকার নয়, সমস্যা সমন্বয়ের। সহায়তা-সংকটে থাকা মানুষের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছানোই কঠিন। তিনি বলেন, সম্ভানসম্ভবা নারী ও প্রবীণদের মতো ভালনারেবল (ঝুঁকিতে থাকা) মানুষকে উদ্ধার করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া জরুরি। এসব কাজে রেডক্রস, রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউট, গার্লস গাইডসহ বিভিন্ন সংগঠনকে কাজে লাগাতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111532/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, খেলা কখন</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111529</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111529#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111529</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_122541.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের চার দল চূড়ান্ত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবারের কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এবার শিরোপার লড়াইয়ে ফাইনালে ওঠার জন্য মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি এবং আরেকটি মহারণে দেখা হবে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের।
প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১টায়। ডালাসে মুখোমুখি হবে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_122541.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের চার দল চূড়ান্ত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবারের কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এবার শিরোপার লড়াইয়ে ফাইনালে ওঠার জন্য মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি এবং আরেকটি মহারণে দেখা হবে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের।</p>
<p>প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১টায়। ডালাসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ২-০ গোলে হারিয়েছে মরক্কোকে, আর স্পেন একই ব্যবধানে বিদায় করেছে বেলজিয়ামকে।</p>
<p>দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুলাই দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টায়। সেখানে মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।</p>
<p>দুই সেমিফাইনালের বিজয়ীরা মুখোমুখি হবে ১৯ জুলাই মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ফাইনালে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111529/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইংল্যান্ডের গোল নিয়ে বিতর্কের ঝড়, মুখ খুললেন ফিফা</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111527</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111527#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111527</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_121913.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ২-১ গোলের জয়ে সমতাসূচক গোল নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিয়েছে ফিফা। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এই গোলের আগে বল ক্যামেরার তার স্পর্শ করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বেলিংহামের গোলে ১-১ সমতা আনে ইংল্যান্ড। এই গোলের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_121913.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ২-১ গোলের জয়ে সমতাসূচক গোল নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিয়েছে ফিফা। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এই গোলের আগে বল ক্যামেরার তার স্পর্শ করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বেলিংহামের গোলে ১-১ সমতা আনে ইংল্যান্ড। এই গোলের পরপরই ফরাসি রেফারি ক্লেমো তুরপিনের কাছে প্রতিবাদ জানান নরওয়ের খেলোয়াড়েরা।</p>
<p>গোলটির আগে ইয়র্ন নিল্যান্ডের একটি গোল-কিক থেকে শুরু হয়েছিল আক্রমণের সেই ধারা, যা শেষ পর্যন্ত বেলিংহামের গোলে রূপ নেয়। সেই ফুটেজে দেখা যায়, বলের গতিপথ হঠাৎ বদলে গিয়ে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছে চলে যায়। খেলার নিয়ম অনুযায়ী এমন ঘটনায় খেলা থামিয়ে ড্রপ বল দেওয়ার কথা ছিল।</p>
<p>তবে শনিবার ফিফা জানায়, বলের ভেতরে বসানো চিপ সেন্সরে বল ক্যামেরার তারে ধাক্কা খাওয়ার কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। টুর্নামেন্টের আগের পর্বে পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার নকআউট ম্যাচে একটি গোল বাতিলের ক্ষেত্রেও একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।</p>
<p>ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, নরওয়ের বিপক্ষে ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে কানেক্টেড বলের সেন্সরে বাতাসে থাকা অবস্থায় বলের ‘হার্টবিটে’ কোনো অস্বাভাবিক তারতম্য পাওয়া যায়নি। তাই বল ওপরের তারে স্পর্শ করে গতিপথ বদলে যাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111527/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111524</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111524#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111524</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_121259.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ এ সমতায়। এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১–১ গোলে সমতায়। এরপর গোলের দেখা পান হুলিয়ান আলভারেজ ও লাওতারো মার্টিনেজ। এতেই সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরুতে বেশ সাবধানী ছিল আর্জেন্টিনা। বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আক্রমণে উঠে তারা। ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_121259.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ এ সমতায়। এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১–১ গোলে সমতায়। এরপর গোলের দেখা পান হুলিয়ান আলভারেজ ও লাওতারো মার্টিনেজ। এতেই সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।</p>
<p>ম্যাচের শুরুতে বেশ সাবধানী ছিল আর্জেন্টিনা। বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আক্রমণে উঠে তারা। এরপর ম্যাচের ১০ মিনিটেই গোলের দেখা পেয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।</p>
<p>লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নারে ভেসে আসা বলে হেড দিয়ে তা জালে জড়ান মিডফিল্ডার লেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার। এতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।</p>
<p>গোল খাওয়া বাদ দিলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সমানতালে খেলেছে সুইজারল্যান্ড। একাধিকবার গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত গোল পাওয়া হয়নি। এতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা।</p>
<p>বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফেরান ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন তিনি।</p>
<p>ম্যাচের ৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এতে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। তবে আর কোনো গোল না হলে সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।</p>
<p>অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের ১১৪ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন আলভারেজ। এরপর আবারও গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111524/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হরমুজে নৌযান চলাচলে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111522</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111522#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>

		<category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111522</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_011629.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নৌ-নির্দেশনা সেবার বিপরীতে ফি আরোপের একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইউরোপীয় দেশগুলো। তবে এই ফি বাধ্যতামূলক হবে না এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সমর্থন থাকলেই তা কার্যকর করা যেতে পারে বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।
ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে বাধ্যতামূলক টোল ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_011629.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নৌ-নির্দেশনা সেবার বিপরীতে ফি আরোপের একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইউরোপীয় দেশগুলো। তবে এই ফি বাধ্যতামূলক হবে না এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সমর্থন থাকলেই তা কার্যকর করা যেতে পারে বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।</p>
<p>ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে বাধ্যতামূলক টোল আরোপ করা হলে তা বিপর্যয়কর হবে। তবে ব্রিটিশ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী মনে করেন, মালাক্কা প্রণালি ও ইংলিশ চ্যানেলের মতো আন্তর্জাতিক জলপথে যেভাবে নির্দিষ্ট নৌ-সেবা বাবদ অর্থ নেওয়া হয়, একই ধরনের ব্যবস্থা হরমুজেও বিবেচনা করা যেতে পারে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং এই পথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে—এমন একটি প্রকাশ্য ঘোষণা দিতে। ওয়াশিংটনের দাবি, তেহরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে এ বিষয়ে সমঝোতা ও তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে। যদিও ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত নীতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে দেশটির নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির অন্তর্বর্তী চুক্তি কার্যত শেষ হয়ে গেছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।</p>
<p>অন্যদিকে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে ও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেন, তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এটিই জাতির ইচ্ছা।</p>
<p>হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমান ইতোমধ্যে মালাক্কা প্রণালির সহযোগিতামূলক মডেলের আদলে একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে। ব্রিটিশ আইন বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় প্রস্তুত ওই পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করতে ওমান তাদের আইন বিশেষজ্ঞদের তেহরানে পাঠাতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে।</p>
<p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালি ও নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য ওমান সফর করবেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও আশা প্রকাশ করেছেন, এ বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে।</p>
<p>তবে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল মার্কিন ডলারে বিক্রির ক্ষেত্রে যে ছাড় দিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করেছে।</p>
<p>হরমুজ প্রণালির অধিকাংশ নৌপথ ওমানের নিয়ন্ত্রণে। দেশটি বাধ্যতামূলক টোলের বিরোধিতা করছে। কাতারও বলেছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন উপেক্ষা করে ইরানকে প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে।</p>
<p>তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একটি অংশ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে চলার বিষয়ে অনাগ্রহী, অন্য অংশ সহযোগিতার পক্ষে। ফলে এ বিষয়ে তেহরানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য রয়েছে।</p>
<p>লন্ডনে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) কাউন্সিল বৈঠকে ওমানের প্রতিনিধি খামিস বিন মোহাম্মদ আল শামাখি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ নৌ-চলাচলের অধিকার নিশ্চিত এবং সেখানে বাধ্যতামূলক ট্রানজিট ফি আরোপের সুযোগ নেই। তবে নৌ-নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাভিত্তিক নৌ-সহায়তা সেবা চালুর বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।</p>
<p>এদিকে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইউরোপীয় রাষ্ট্র আইএমওতে ইরানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করলেও রাশিয়া ও চীন তা সমর্থন করেনি। রাশিয়ার মতে, প্রস্তাবটি সংকটের মূল কারণ উপেক্ষা করেছে। চীনের ভাষ্য, এটি একপেশে এবং আইএমওর এখতিয়ারের বাইরে।</p>
<p>কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে মূল বিতর্ক দুটি বিষয়কে ঘিরে। একটি হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অন্যটি দীর্ঘমেয়াদে প্রণালির প্রশাসনিক কাঠামো কী হবে এবং মালাক্কা প্রণালির মডেল ইরানের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে কি না।</p>
<p>গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে ইরান ৬০ দিনের জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এর অর্থ এই নয় যে, ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে না।</p>
<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260712_011619.jpg" alt="---" />যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মে মাসের শুরু থেকে তাদের বাহিনী ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং প্রায় ৩৮ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে আইআরজিসি নৌবাহিনী দাবি করেছে, সমঝোতা অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব তারা পালন করেছে এবং হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি বাহিনীর কোনো ভূমিকা থাকার সুযোগ নেই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111522/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মেসি যত দিন চাইবে, তত দিনই সেরা থাকবে: স্কালোনি</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111519</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111519#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111519</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260711_150146.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, স্পোর্টস ডেস্ক: ৩৯ বছর বয়সে একজন ফুটবলারের কাছ থেকে বিশ্বমঞ্চে কী আশা করা যায়? সাধারণ ফুটবলীয় ব্যাকরণ বলে, ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে গতি কমে যাওয়ার কথা, মরচে পড়ার কথা চেনা ধারে। কিন্তু তিনি তো লিওনেল মেসি!
৩৯ বছর বয়সেও যিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাই তছনছ করে দিতে পারেন। মেসির এমন অবিশ্বাস্য শারীরিক সক্ষমতা দেখে মোটেও অবাক হননি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260711_150146.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, স্পোর্টস ডেস্ক: ৩৯ বছর বয়সে একজন ফুটবলারের কাছ থেকে বিশ্বমঞ্চে কী আশা করা যায়? সাধারণ ফুটবলীয় ব্যাকরণ বলে, ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে গতি কমে যাওয়ার কথা, মরচে পড়ার কথা চেনা ধারে। কিন্তু তিনি তো লিওনেল মেসি!</p>
<p>৩৯ বছর বয়সেও যিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাই তছনছ করে দিতে পারেন। মেসির এমন অবিশ্বাস্য শারীরিক সক্ষমতা দেখে মোটেও অবাক হননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাই তাঁর সহজ-সরল উপলব্ধি—মেসি যত দিন খেলবেন, তত দিন তিনিই থাকবেন বিশ্বের সেরা ফুটবলার।</p>
<p>বাংলাদেশ সময় আগামীকাল সকাল ৭টায় কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। এই হাই ভোল্টেজ ম্যাচের আগে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এসে স্কালোনি মেতে উঠলেন তাঁর অধিনায়কের বন্দনায়।</p>
<p>এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতিটি পদক্ষেপে বড় ভূমিকা রাখছেন মেসি। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনের দারুণ এক গল্প লিখেছে আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল দল।</p>
<p>সেখান থেকে মাত্র ১১ মিনিটে ৩-২ গোলের অবিশ্বাস্য এক জয় ছিনিয়ে আনে আর্জেন্টিনা। নিজের রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নামা মেসি নিজে ১ গোল করার পাশাপাশি অন্য গোলটি করিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে দিয়ে।অনেকেই ভেবেছিলেন, বয়সের ভারে মেসি হয়তো এবার নুয়ে পড়বেন। স্কালোনির মতে, যাঁরা এমনটা ভাবেন, তাঁরা আসলে মেসিকে ভালো করে চেনেনই না, ‘মেসির এই ফর্ম আমাকে বিন্দুমাত্র অবাক করে না। যারা ওকে চেনে না, তারা হয়তো ভেবেছিল ৩৯ বছর বয়সে ও এই স্তরে খেলতে পারবে না। তবে আমি কতবার যে এই কথা বলেছি! ও যত দিন চাইবে, তত দিনই ও সেরা হয়ে থাকবে। আমি ওর কোচ বলে এ কথা বলছি না; বরং আমি মনেপ্রাণে এটা বিশ্বাস করি।’</p>
<p>কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি লিওনেল মেসির জন্য এক চেনা আঙিনায় ফেরা। এই অ্যারোহেড স্টেডিয়ামেই এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি; দল জিতেছিল ৩-০ ব্যবধানে। বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে নিজের ক্যারিয়ারে ২১ গোল করে তিনি এখন এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা।</p>
<p>মেসি প্রতিদিন যেভাবে নিজেকে উজাড় করে অনুশীলন করেন, তা দেখে স্কালোনি রোমাঞ্চিত। তাঁর কথা, ‘আমরা যারা তাকে প্রতিদিন অনুশীলন করতে দেখি, যারা তাকে আজকেও এসব করতে দেখছি, তারা কল্পনাও করতে পারব না যে ২৩ বছর বয়সে বার্সেলোনায় পেপ গার্দিওলার অধীনে সে কেমন ছিল!’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111519/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা কতটা প্রস্তুত নেতা-কর্মীরা</title>
		<link>https://www.bbc-24news.com/111517</link>
		<comments>https://www.bbc-24news.com/111517#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc-24news.com/111517</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260711_090421.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাসনে থাকা দলের নেতাদেরও তাঁর সঙ্গে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে এটি বাস্তব কোনো পরিকল্পনা, নাকি আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করার কৌশল, তা নিয়ে দলটির ভেতরেই সংশয় রয়েছে। নেতাদের অনেকে বলছেন, শেখ হাসিনা নিজে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc-24news.com/cloud/archives/2026/07/20260711_090421.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাসনে থাকা দলের নেতাদেরও তাঁর সঙ্গে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে এটি বাস্তব কোনো পরিকল্পনা, নাকি আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করার কৌশল, তা নিয়ে দলটির ভেতরেই সংশয় রয়েছে। নেতাদের অনেকে বলছেন, শেখ হাসিনা নিজে ফিরবেন কি না, তার পাশাপাশি বড় প্রশ্ন হলো—বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সেই ঝুঁকি নিতে শেষ পর্যন্ত কতজন নেতা-কর্মী প্রস্তুত আছেন।</p>
<p>যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দেন শেখ হাসিনা। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি নির্দিষ্ট করে আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার কথা বলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে তিনি ভারতে চলে যান। এর মধ্য দিয়ে তাঁর টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।</p>
<p>শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা, তাঁর সরকারের সাবেক মন্ত্রী, দলীয় সংসদ সদস্য এবং তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মী আত্মগোপনে চলে যান। পরে তাঁদের অনেকের ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থানের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ পায়। দেশে থাকা অনেক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন। গত বছরের মে মাসে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এখন দলটির রাজনৈতিক তৎপরতা মূলত অনলাইনে সীমিত। এর বাইরে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঝটিকা মিছিল হয়েছে, যেগুলোকে দলটির সাংগঠনিক শক্তির চেয়ে অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমাকে ফিরতেই হবে। আমার দলের নেতা-কর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। যদি মৃত্যুই আসে, আমি চাই আমার নিজের মাটিতেই মৃত্যু হোক—যেখানে আমার বাবা-মা সমাহিত আছেন এবং যেখানে তাঁদের রক্ত ঝরেছিল।’ তবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর মতে, ডিসেম্বরের সময়সীমাটি প্রতীকীও হতে পারে। এটি নেতা-কর্মীদের চাঙা করা, দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চাপ তৈরি করা এবং রাজনৈতিক পরিসর ফিরে পাওয়ার কৌশলের অংশ হতে পারে।</p>
<p>গত বছরের মে মাসে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এখন দলটির রাজনৈতিক তৎপরতা মূলত অনলাইনে সীমিত।<br />
এর আগে গত ২৮ জুন ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও শেখ হাসিনা চলতি বছরের মধ্যে দেশে ফেরার কথা বলেছিলেন। তাঁর ওই বক্তব্য ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। গত সপ্তাহে আওয়ামী লীগের কয়েকটি অভ্যন্তরীণ অনলাইন সভার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যেও আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে যে তিনি ডিসেম্বরে ফেরার কথা বলেছেন।</p>
<p>আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বিদেশে থাকা দলীয় নেতা-কর্মীদের দেশে ফেরার জন্য প্রায়ই বলতেন। তবে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো নেতা তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দেননি। বরং অনেকে নিরাপত্তা ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় ভারত ছেড়ে অন্য দেশে চলে গেছেন।শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় দেড় বছর দেশ পরিচালনা করে। এ সময়ে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্যের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও শেখ হাসিনাসহ দলের একাধিক নেতার বিচার শুরু হয়। গত বছরের ১৭ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।</p>
<p>মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর শেখ হাসিনাসহ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত সরকারকে চিঠি দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ভারত বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানালেও প্রত্যর্পণের বিষয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি প্রকাশ্যে আসেনি। বর্তমান বিএনপি সরকারও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের কথা বলেছে। শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থান, ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের চিঠি দেওয়া—সব মিলিয়ে বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কে বেশ প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p>কৌশল, নাকি কথার কথা<br />
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রচার হওয়ার পর আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁদের বেশির ভাগই বলেছেন, এই ঘোষণার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক কৌশল বা প্রস্তুতির তথ্য তাঁদের জানা নেই। ডিসেম্বর আসতে এখনো প্রায় পাঁচ মাস বাকি। এর মধ্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ক্ষমতাসীন বিএনপির অবস্থান, বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মনোভাব এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের ভূমিকা—এসবের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে।</p>
<p>শেখ হাসিনার বক্তব্য নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিষয়। সরকার পুরো বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতেই দেখছে।<br />
জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী<br />
আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, শেখ হাসিনা প্রায় ৪৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। দলের বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থাও অজানা নয়। এরপরও তিনি যেহেতু ফেরার কথা বলেছেন, হয়তো তাঁর নিজের সেই ধরনের প্রস্তুতি আছে। তবে এর জন্য দলের প্রস্তুতি কী এবং এর কৌশল কী হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দল প্রকাশ্যে কতটা সংগঠিত হতে পারবে এবং সরকারের ওপর কতটা চাপ সৃষ্টি করতে পারবে, তা নিয়েও সংশয় আছে।</p>
<p>এ ছাড়া যাঁদের সম্পদ ও আর্থিক নিরাপত্তা রয়েছে, তাঁদের বড় অংশ শেখ হাসিনার আহ্বানে দেশে ফিরে কারাবরণ করবেন বলে মনে করেন না ওই নেতা। তাঁর মতে, তাঁরা বরং রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন। ফলে শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা নেতা-কর্মীদের আবেগতাড়িত করতে পারলেও সেটি কতটা সম্মিলিত প্রত্যাবর্তনে রূপ নেবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতকে চিঠি দিচ্ছে, কিন্তু তিনি নিজেই দেশে ফিরবেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রায় সব নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাঁদের অনেকেই আত্মগোপনে আছেন। তাই আমি বলেছি, এবার আমি দেশে ফিরছি। একদিন তোমরাও সবাই এসো। আমরা সবাই একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব।’ বিচারব্যবস্থায় বিশ্বাস আছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলে মানুষ বুঝতে পারবে আদালতটি কতটা প্রহসনের। আর আমি সেটাই প্রমাণ করতে চাই।’</p>
<p>জনগণের প্রতি আস্থা আসলে কতটা<br />
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে কোনো সরকারেরই ভুল হতে পারে এবং তাঁর সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের। তিনি আরও বলেন, তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও কিংবা নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়া হলেও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ রাখা উচিত নয়; দলটি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে। আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি অনলাইনে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বক করেছেন বলেও দাবি করেন।তবে জনগণের বিচারের কথা বললেও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনা এখনো প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেননি। বরং তিনি ও তাঁর দলের নেতারা আন্দোলনকে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে তুলে ধরছেন এবং গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করে চলেছেন। ফলে দেশে ফেরার ঘোষণা রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের বার্তা দিলেও এর সঙ্গে আত্মসমালোচনা বা অতীতের দায় স্বীকারের কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।</p>
<p>রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া<br />
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ও আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন নিয়ে কয়েক মাস ধরেই ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য আসছে। বিশেষ করে ভারতীয় গণমাধ্যমে এ–সংক্রান্ত খবর ফলাও করে প্রকাশ পেয়েছে। এর মধ্যে সেখানকার সরকারঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমও রয়েছে। এতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরাসংক্রান্ত বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনো কোনো কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ থাকলেও থাকতে পারে।</p>
<p>শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থান, ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের চিঠি দেওয়া—সব মিলিয়ে বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কে বেশ প্রভাব ফেলেছে।<br />
এদিকে দেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি চলছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনার দেশে ফেরাসংক্রান্ত বক্তব্যে ইতিমধ্যে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, অভ্যুত্থানের বার্ষিকী ও তারেক রহমানের চীন সফর—সব মিলিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা তাঁর দেশে ফেরার বক্তব্য সামনে এনেছেন। অন্যদিকে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি আবার ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে অন্যতম বাধা। যদিও ভারতের ভাবনায় বিষয়টি বাদ রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে।</p>
<p>সব মিলিয়ে দৃশ্যমান রাজনৈতিক সমঝোতা, সাংগঠনিক প্রস্তুতি কিংবা নেতাদের সম্মিলিতভাবে দেশে ফেরার উদ্যোগ এখনো দেখা যাচ্ছে না। ফলে শেখ হাসিনার ঘোষণা আপাতত বাস্তব কর্মপরিকল্পনার চেয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সক্রিয় করা এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবেই বেশি প্রতীয়মান হচ্ছে।</p>
<p>‘সরকার বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতেই দেখছে’<br />
জুলাই আন্দোলনের শীর্ষ নেতা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আজকে একটা ইন্টারভিউয়ে আমরা দেখেছি যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশ তো অলরেডি (ইতিমধ্যে) ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।’</p>
<p>শেখ হাসিনার এই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রথম আলোকে বলেন, শেখ হাসিনার পুরো বিষয়টি আইনের আওতায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশের গণমাধ্যম আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্মানের চোখে দেখবে বলে তিনি মনে করেন। মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিষয়। সরকার পুরো বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতেই দেখছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc-24news.com/111517/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
