শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

BBC24 News
বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ড. ইউনূস
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ড. ইউনূস
৮৯৩ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ড. ইউনূস

---বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালাল,নিউইয়র্ক থেকে:  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তার সরকার দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বুধবার নিউইয়র্কে একটি হোটেলে শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার সঙ্গে দেখা করতে এলে ড. ইউনূস এ মন্তব্য করেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।

লেখক ও রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের প্রেসিডেন্ট মানবাধিকারকর্মী কেরি কেনেডির নেতৃত্বে নয়জন মানবাধিকার কর্মকর্তার প্রতিনিধি দল ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। কেরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাতিজি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ডও বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠকে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের সময় সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

মানবাধিকার কর্মকর্তারা স্বৈরশাসকের সময় সম্পাদিত প্রায় তিন হাজার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্তের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। তারা নিরাপত্তা খাতের সংস্কার, সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রত্যাহার ও নির্বিঘ্নে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং শেখ হাসিনার স্বৈর-শাসনামলে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের আটক কেন্দ্রের কার্যক্রমের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ‘একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানো যে, এটি এক নতুন বাংলাদেশ।’

অধ্যাপক ইউনূস কীভাবে পূর্বের স্বৈরাচারী শাসনামলে নাগরিকদের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার হরণ করা হয়েছিল এবং তার সরকার দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এ পর্যন্ত কী করেছে- তা সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের জন্য তার সরকার পুলিশ সংস্কার সংক্রান্ত একটি কমিশনসহ বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার তার কর্মকাণ্ডের যে কোনো সমালোচনাকে স্বাগত জানাবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন বাকস্বাধীনতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘এই সরকার কোনো সমালোচনায় বিচলিত নয়। আসলে আমরা সমালোচনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সরকার দেশে কারো কণ্ঠরোধ করবে না।’

হংকং-ভিত্তিক সাবেক মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সিনিয়র গবেষক জুলিয়া ব্লেকনারও বৈঠকে বক্তৃতা করেন।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে গেলে ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। ইতিমধ্যে সাইডলাইন সভা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বিশ্বনেতারা অধ্যাপক ইউনূসকে সমর্থন জানান।



আর্কাইভ

ইরানের হামলায় কুয়েত ও বাহরাইনে গুরুত্বপূর্ণ ৮ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক উচ্চমাত্রায় পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তাজিয়া মিছিলে গুরুত্ব কতটুকু?
যুক্তরাষ্ট্রের একই পরিবারের ৬ জনের রহস্যজনক মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ক আটক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৫, আহত ৪৩০০
বাংলাদেশ-চীন ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্থায়ী দূতাবাস স্থাপনে সম্মত
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের পর, ঐতিহাসিক’ বলেছে ইরান