রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | শিরোনাম | সাবলিড » ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল
ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা সামনে রেখে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আলোচনার উদ্দ্যেশ্যে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের একটি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।
আগামী সপ্তাহে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও পাকিস্তান, ইরান বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আলোচনার সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
বিদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আগমনে ফেডারেল রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়েছে। ইসলামাবাদ পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শহরের রেড জোন এবং বর্ধিত রেড জোন এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
যাতায়াতের জন্য নাগরিকদের বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিণ্ডির জেলা প্রশাসন দুই শহরে সব ধরনের গণপরিবহণ ও পণ্যবাহী যান চলাচল স্থগিত ঘোষণা করেছে। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না দর্শিয়েই জেলা প্রশাসকরা এই নির্দেশ জারি করেছেন এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাওয়ালপিণ্ডি পুলিশের সিটি অফিসার সৈয়দ খালিদ মাহমুদ হামদানির নির্দেশে পুরো শহরকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। বিদেশি প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং শহরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথগুলোতে ৬০০-এর বেশি বিশেষ পিকেট স্থাপন করা হয়েছে। এলিট কমান্ডো ও স্নাইপাররা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন এবং ডলফিন ফোর্সসহ কুইক রেসপন্স ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। স্পর্শকাতর স্থাপনা ও আবাসন এলাকায় নজরদারির জন্য ‘সেফ সিটি’র সিসিটিভি ক্যামেরা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ১০ ও ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি করে। এরপর সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের তেহরান সফরের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক টেলিভিশন ভাষণে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় কিছুটা ‘অগ্রগতি’ হয়েছে, তবে এখনো অনেক মৌলিক বিষয়ে বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে ‘খুবই ফলপ্রসূ’ কথাবার্তা চলছে, তবে তিনি তেহরানকে কোনো ধরনের ‘ব্ল্যাকমেইল’ করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছেন। দ্বিতীয় দফার এই আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজছেন বিশ্বনেতারা।




ট্রাম্পের ২ শর্তে আটকে আছে শান্তিচুক্তি
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন চুক্তি হচ্ছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়তে পারে
ইরানে আবারও হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ-চীন, ভারতের পোশাক রপ্তানি কমেছে
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন
ইরানে আর হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প
আমাকে হত্যা করতে এসেছিল, কল্পনাও করতে পারি না: ট্রাম্প
ইরানের একটি ‘ভালো’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী 