শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

BBC24 News
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | এক্সক্লুসিভ | শিরোনাম | সাবলিড » হরমুজে নৌযান চলাচলে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | এক্সক্লুসিভ | শিরোনাম | সাবলিড » হরমুজে নৌযান চলাচলে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ
২৮ বার পঠিত
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হরমুজে নৌযান চলাচলে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ

---বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নৌ-নির্দেশনা সেবার বিপরীতে ফি আরোপের একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইউরোপীয় দেশগুলো। তবে এই ফি বাধ্যতামূলক হবে না এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সমর্থন থাকলেই তা কার্যকর করা যেতে পারে বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।

ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে বাধ্যতামূলক টোল আরোপ করা হলে তা বিপর্যয়কর হবে। তবে ব্রিটিশ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী মনে করেন, মালাক্কা প্রণালি ও ইংলিশ চ্যানেলের মতো আন্তর্জাতিক জলপথে যেভাবে নির্দিষ্ট নৌ-সেবা বাবদ অর্থ নেওয়া হয়, একই ধরনের ব্যবস্থা হরমুজেও বিবেচনা করা যেতে পারে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং এই পথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে—এমন একটি প্রকাশ্য ঘোষণা দিতে। ওয়াশিংটনের দাবি, তেহরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে এ বিষয়ে সমঝোতা ও তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে। যদিও ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত নীতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে দেশটির নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির অন্তর্বর্তী চুক্তি কার্যত শেষ হয়ে গেছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে ও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেন, তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এটিই জাতির ইচ্ছা।

হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমান ইতোমধ্যে মালাক্কা প্রণালির সহযোগিতামূলক মডেলের আদলে একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে। ব্রিটিশ আইন বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় প্রস্তুত ওই পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করতে ওমান তাদের আইন বিশেষজ্ঞদের তেহরানে পাঠাতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালি ও নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য ওমান সফর করবেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও আশা প্রকাশ করেছেন, এ বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে।

তবে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল মার্কিন ডলারে বিক্রির ক্ষেত্রে যে ছাড় দিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করেছে।

হরমুজ প্রণালির অধিকাংশ নৌপথ ওমানের নিয়ন্ত্রণে। দেশটি বাধ্যতামূলক টোলের বিরোধিতা করছে। কাতারও বলেছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন উপেক্ষা করে ইরানকে প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একটি অংশ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে চলার বিষয়ে অনাগ্রহী, অন্য অংশ সহযোগিতার পক্ষে। ফলে এ বিষয়ে তেহরানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য রয়েছে।

লন্ডনে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) কাউন্সিল বৈঠকে ওমানের প্রতিনিধি খামিস বিন মোহাম্মদ আল শামাখি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ নৌ-চলাচলের অধিকার নিশ্চিত এবং সেখানে বাধ্যতামূলক ট্রানজিট ফি আরোপের সুযোগ নেই। তবে নৌ-নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাভিত্তিক নৌ-সহায়তা সেবা চালুর বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

এদিকে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইউরোপীয় রাষ্ট্র আইএমওতে ইরানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করলেও রাশিয়া ও চীন তা সমর্থন করেনি। রাশিয়ার মতে, প্রস্তাবটি সংকটের মূল কারণ উপেক্ষা করেছে। চীনের ভাষ্য, এটি একপেশে এবং আইএমওর এখতিয়ারের বাইরে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে মূল বিতর্ক দুটি বিষয়কে ঘিরে। একটি হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অন্যটি দীর্ঘমেয়াদে প্রণালির প্রশাসনিক কাঠামো কী হবে এবং মালাক্কা প্রণালির মডেল ইরানের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে কি না।

গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে ইরান ৬০ দিনের জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এর অর্থ এই নয় যে, ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে না।

---যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মে মাসের শুরু থেকে তাদের বাহিনী ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং প্রায় ৩৮ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে আইআরজিসি নৌবাহিনী দাবি করেছে, সমঝোতা অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব তারা পালন করেছে এবং হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি বাহিনীর কোনো ভূমিকা থাকার সুযোগ নেই।



আর্কাইভ

সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: শফিকুর রহমান
হরমুজ জাহাজ থেকে টোল নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
বন্যার কবলে দেশ, ৭ জেলায় মৃত্যু ৪৪ জনের
হরমুজে নৌযান চলাচলে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা কতটা প্রস্তুত নেতা-কর্মীরা
১৫ জুলাই পর্যন্ত পার্বত্য জেলাগুলোর সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
আত্মরক্ষায় প্রস্তুত ইরান: আরাঘচি
সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা: হাইকোর্টের রায়
গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ : ট্রাম্প
ইরানে আজ রাতেই কঠোর হামলা চালানো হবে: ট্রাম্প