শিরোনাম:
●   বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এর বিশেষ বানী ●   বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ অর্থায়ন বাড়ানোর দাবি ●   মেসির হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে চূর্ণ আলজেরিয়া ●   বাংলাদেশসহ ৪৪টি জলবায়ু বিপদাপন্ন ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর এলডিসি জোট ●   প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের চাপ বাড়ছে, জার্মানিতে মধ্যবর্তী জলবায়ু আলোচনা শুরু ●   যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে ক্ষোভ-উত্তেজনা ফুঁসছে ভারত ●   দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার ●   ইরানের শত কোটি ডলারের তহবিল ছাড় দিচ্ছে আমিরাত ●   প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ●   বিশ্বকাপ পর্দা ডানা মেলার অপেক্ষায়
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

BBC24 News
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিরোনাম » বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এর বিশেষ বানী
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিরোনাম » বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এর বিশেষ বানী
২ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এর বিশেষ বানী

---বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। আগামী ২০ জুন ২০২৬ তারিখে পালিতব্য ‘বিশ্ব শরণার্থী দিবস’ উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। শরণার্থীরা মানবচেতনার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।

তাদের সমর্থন ও সংহতির প্রয়োজন। এগুলো তাদের প্রাপ্য— সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া বা তাদের ঠেলে বের করা দেওয়া ঠিক নয়।

আমরা যখন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালন করছি তখন আমরা শরণার্থীদের বর্ধিত সংখ্যা নিয়ে একটি নির্মম পরিসংখ্যানের মুখোমুখি।

সংঘাত, নিপীড়ন, ক্ষুধা ও জলবায়ুজনিত বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত দেশগুলোতে বসবাসকারী ১০ কোটির বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

এটি শুধু কাগজে লেখা কিছু সংখ্যা নয়!

এগুলো কঠিন যাত্রা পথের নারী, শিশু ও পুরুষের সংখ্যা, যারা প্রায়ই সহিংসতা, শোষণ, বৈষম্য ও নিগ্রহের সম্মুখীন।

এই দিনটি শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানে আমাদের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে। পাশাপাশি তাদের প্রতি সহায়তা আরও বাড়াতে আমাদের বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

এর মধ্যে রয়েছে শরণার্থীদের পুনর্বাসনে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের জীবন পুনর্গঠনে সহায়তা দেওয়া।

মানসম্পন্ন শিক্ষা, মর্যাদাসম্পন্ন কাজ, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ বাড়ানোর জন্য গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর রিফিউজির আহ্বান অনুসারে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোর জন্য আমাদের আরও বেশি আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন।

পাশাপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের আরও জোরালো রাজনৈতিক ইচ্ছা প্রয়োজন, যাতে শরণার্থীরা নিরাপদে তাদের বাড়িতে ফিরতে পারে।

এবারের বিশ্ব শরণার্থী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো “বাড়ি থেকে দূরে থাকলেও আশা জেগে থাকবেই”।

শরণার্থীরা তাদের হৃদয়ে যে আশা বহন করে তা কাজে লাগাতে আমি গোটা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানাই।

আসুন আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে শরণার্থীদের সাহসকে তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগগুলোর সঙ্গে মেলাই।



আর্কাইভ

বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ অর্থায়ন বাড়ানোর দাবি
প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের চাপ বাড়ছে, জার্মানিতে মধ্যবর্তী জলবায়ু আলোচনা শুরু
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে ক্ষোভ-উত্তেজনা ফুঁসছে ভারত
দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার
ইরানের শত কোটি ডলারের তহবিল ছাড় দিচ্ছে আমিরাত
প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু
বিশ্বকাপ পর্দা ডানা মেলার অপেক্ষায়
বাংলাদেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট
খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব: বাহরাইনও জর্ডান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা